Author: তাকী মোহাম্মদ জোবায়ের

আদালতের স্থগিতাদেশ নিয়ে ঋণখেলাপির তালিকা থেকে সাময়িক মুক্তি পেয়ে নির্বাচনে জিতে আসা একজন সংসদ সদস্য বিএনপির নবগঠিত মন্ত্রিসভায় স্থান পেয়েছেন। তিনি হলেন সিলেট-১ আসনের সাংসদ খন্দকার আবদুল মুক্তাদির। বিএনপি চেয়ারম্যান ও নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সই করা নথি অনুযায়ী, নতুন সরকারের বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে যাচ্ছেন সাবেক এই ব্যবসায়ী নেতা। এই মন্ত্রীর অধীনে দেশের আমদানি-রপ্তানি নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের বিষয়টি থাকবে। তিনি শিল্পায়ন ও শিল্পখাতের নীতিগত তদারকি এবং রপ্তানি উন্নয়ন ও বাণিজ্য সম্প্রসারণের দিকনির্দেশনা দেবেন। তৈরি পোশাকসহ বস্ত্র খাতের উৎপাদন ও বাজার ব্যবস্থাপনা এবং পাট ও পাটপণ্যের উন্নয়ন ও বিপণনও এই মন্ত্রণালয়ের আওতায় পড়ে। পাশাপাশি ভোক্তা…

Read More

রাজধানীর শাহজাহানপুরের মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ ভোটকেন্দ্রে ধীরগতির ভোটগ্রহণের কারণে দীর্ঘ লাইনের সৃষ্টি হয়েছে। ভোট দিতে এসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে ভোটারদের। বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকা-৮ আসনের এই কেন্দ্রে ভোট দিতে গিয়ে এমন অভিযোগ করেন অপেক্ষমাণ ভোটাররা সরেজমিনে ভোটকেন্দ্রের ৬ নম্বর মহিলা বুথে দেখা যায়, এক একজন ভোটারকে ভোট দিতে গড়ে ১০ মিনিট সময় লাগছে। তবে স্বাভাবিকভাবে এই সময় দুই থেকে তিন মিনিটের বেশি হওয়া উচিত নয়। অন্যদিকে কেন্দ্রের ৩ নম্বর পুরুষ বুথে ভোটগ্রহণে গড়ে সময় লাগছে ১৫-১৬ মিনিট। অন্যদিকে ৩ নম্বর পুরুষ বুথে পরিস্থিতি আরও ধীরগতির। সেখানে প্রতি ভোটারের ভোট দিতে সময় লাগছে গড়ে ১৫ থেকে ১৬…

Read More

অর্থ পাচারের অনুসন্ধানে দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) সহযোগিতা করছে না বহুজাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক (এসসিবি)। দুইবার চিঠি দিয়েও নথি না পাওয়ায় এসসিবি’র কাছে কড়া ভাষায় তাগিদপত্র পাঠিয়েছে দুদক। গত ২৯ জানুয়ারির এই পত্রে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা না করলে তিন বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের বিধানের কথা স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছে। এস এন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান শওকত আলী চৌধুরীর বিরুদ্ধে সন্দেহজনক আর্থিক লেনদেন ও শেল কোম্পানির মাধ্যমে বিদেশে অর্থ পাচার অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে এই নথিগুলো চাওয়া হয়েছিল । দুদক সূত্রে জানা গেছে, অনুসন্ধান শুরু হওয়ার পর প্রথম দফায় গত ৪ ডিসেম্বর চিঠি দিয়ে এসসিবি’র কাছে শওকত আলী চৌধুরীর নামে পরিচালিত সব…

Read More

বাংলাদেশে এজেন্ট ব্যাংকিং একটি সন্ধিক্ষণে এসে দাঁড়িয়েছে। একসময় ব্যাংকের মূল শাখা থেকে দূরে বসবাস করা জনগোষ্ঠীর কাছে ব্যাংকিং সেবা পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যম হিসেবে এই ধারার ব্যাংকিংয়ের যাত্রা শুরু হয়েছিল। সময়ের ব্যবধানে এটি এখন ব্যাংকিং ব্যবস্থার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশে পরিণত হয়েছে। এজেন্ট ব্যাংকিং কার্যকর কিনা, সেই প্রশ্ন এখন আর কেউ করে না। এখন বং খোঁজ নেওয়া হয় যে, ক্রমবর্ধমান ঝুঁকির মধ্যেও এই সেবাটি মানুষের নির্ভরতা অর্জন করতে পারছে কিনা। এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের প্রসার হয়েছে অত্যন্ত দ্রুত। ২০১৮ সালে সারাদেশে এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেটের সংখ্যা ছিল সাত হাজারের কম। গত বছরের অক্টোবরের মধ্যে সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০ হাজার ৫২৫টিতে। সেইসব লাখো মানুষ যারা…

Read More

খুলনায় এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) অর্থায়নে পরিচালিত একটি বিশাল পানি সরবরাহ প্রকল্পে জালিয়াতির ঘটনা ঘটেছে। প্রকল্পের জন্য জমা দেওয়া সরকারি টেন্ডারের নথিপত্র জাল করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে। ‘টাইমস অব বাংলাদেশ’-এর হাতে আসা নথিপত্র পর্যালোচনা করে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। এই জালিয়াতি করেছে ‘চায়না কনস্ট্রাকশন সেকেন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ব্যুরো লিমিটেড’ এবং ‘আরএফএল প্লাস্টিকস লিমিটেড’-এর একটি যৌথ ব্যবসায়িক গ্রুপ। তারা নিজেদের কাজের অভিজ্ঞতার সনদ জাল করে জমা দিয়েছে। এই গ্রুপটি দরপত্রের জন্য প্রয়োজনীয় যোগ্যতা পূরণ করতে না পারলেও তাদের দরপত্র বাতিল করা হয়নি। এই জালিয়াতির কারণে খুলনার মানুষের জন্য নিরাপদ পানি নিশ্চিত করার গুরুত্বপূর্ণ এই প্রকল্পটি এখন ঝুঁকির মুখে পড়েছে।…

Read More

বাংলাদেশ ব্যাংকের বিধিমালায় স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপি হিসেবে তালিকাভুক্ত কৃষিবিদ গ্রুপকে বিশেষ নীতিগত সুবিধা দেওয়ার সিদ্ধান্ত কেন্দ্রীয় ব্যাংকের স্বাধীনতা, অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া ও দেশের আর্থিক ব্যবস্থায় ক্ষমতার প্রয়োগ নিয়ে নতুন করে বিতর্ক উসকে দিয়েছে।  একই সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের বিশেষ নীতি সহায়তা কর্মসূচি ও এর বাস্তব প্রয়োগও বিতর্কের মুখে পড়েছে। বিষয়টি দেশের রাজনৈতিক অর্থনীতির একটি পরিচিত প্রবণতাকেও সামনে এনেছে। ক্ষমতাধর ব্যবসায়িক গোষ্ঠীগুলো সরকার পরিবর্তন হলেও নিজেদের অবস্থান নতুন করে সাজিয়ে শেষ পর্যন্ত অনুকূল সুবিধা আদায় করে নিতে সক্ষম হয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগের (বিআরপিডি) গত বছরের ১৬ সেপ্টেম্বর জারি করা একটি সার্কুলার অনুযায়ী, ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপিরা…

Read More

আনন্দ শিপইয়ার্ডকে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ-এর দেওয়া বড় অঙ্কের বিনিয়োগ ঋণের ক্ষেত্রে ভয়াবহ অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার তথ্য পাওয়া গেছে। পর্যাপ্ত যাচাই-বাছাই ও কার্যকর মনিটরিং ছাড়াই গত ১৫ বছর ধরে ঋণের সীমা বাড়ানো হয়েছে। খেলাপি হওয়া সত্ত্বেও আইনি ব্যবস্থা না নিয়ে নজিরবিহীনভাবে ঋণটি ‘নিয়মিত’ বা অশ্রেণীকৃত রাখা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক ও ইসলামী ব্যাংকের নথিপত্র এবং কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্যে এসব চিত্র উঠে এসেছে। দ্রুত বিনিয়োগ সীমা বৃদ্ধি ও ত্রুটিপূর্ণ অনুমোদন ব্যাংকের নথিতে দেখা যায়, ২০০৬ সালে আনন্দ শিপইয়ার্ডকে মাত্র ৫১ কোটি চার লাখ টাকার নন-ফান্ডেড (গ্যারান্টি সুবিধা) বিনিয়োগ ঋণ অনুমোদন দেয় ইসলামী ব্যাংক। এর মাত্র ১০ মাসের ব্যবধানে ২০০৭ সালে ঋণসীমা বাড়িয়ে ৪৩১…

Read More

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বছরের পর বছর ধরে চলা লুটপাট এবং রাজনৈতিক প্রভাবে দেওয়া ঋণের কারণে ধ্বংসের কিনারায় চলে গিয়েছিল ব্যাংকিং খাত। পরে গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের শীর্ষ কর্মকর্তাদের পরস্পরবিরোধী নীতিগত সিদ্ধান্ত এবং প্রকাশ্যে দেওয়া বক্তব্যের কারণে পরিস্থিতির মারাত্মক অবনতি ঘটে। এই সংকট নতুন কোনো লোকসানের কারণে যতটা না হয়েছে, তার চেয়ে বেশি হয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থার দেওয়া সংকেতের কারণে, যা আমানতকারীদের আচরণ রাতারাতি বদলে দিয়েছিল। ব্যাংক-সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নেওয়া কিছু পদক্ষেপ, বিশেষ করে নগদ টাকা উত্তোলনের ওপর সীমা আরোপ করার বিষয়টি আমানতকারীদের আতঙ্কিত করে তোলে। গভর্নর আহসান এইচ মনসুর যখন প্রকাশ্যে ঘোষণা করেন…

Read More

বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি ব্যাংকগুলোর একটি ইস্টার্ন ব্যাংকের (ইবিএল) চেয়ারম্যানকে ঘিরে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। ব্যাংক ও কাস্টমস নথি এবং বিদেশি সরকারি দলিল বিশ্লেষণে ব্যাংকটিতে ঋণ ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম, ঋণখেলাপিদের বিশেষ সুবিধা দেওয়া এবং বিদেশে অর্থপাচারে সংযোগের তথ্য সামনে এসেছে। এগুলো ইবিএলের মতো একটি বড় ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠানের আর্থিক তদারকি ও সুশাসন নিয়ে গভীর উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। টাইমস অব বাংলাদেশের পর্যালোচিত নথিপত্রে দেখা যায়, ইবিএলের চেয়ারম্যান মো. শওকত আলী চৌধুরীর বিরুদ্ধে শিল্প ঋণের নামে শুল্কমুক্ত সুবিধায় একটি বিলাসবহুল গাড়ি আমদানির অভিযোগ রয়েছে। একই সঙ্গে গ্রাহকের বড় অঙ্কের খেলাপি ঋণ কৃত্রিমভাবে ‘নিয়মিত’ হিসেবে দেখানো এবং ইবিএলের খেলাপি ও যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামির বিদেশের ঠিকানা চেয়ারম্যানের…

Read More

পর্ষদে দীর্ঘদিনের ক্ষমতার দ্বন্দ্ব, আদালতের রায় ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার নির্দেশনা বারবার অমান্য করা এবং বৈদেশিক মুদ্রা ও ঋণসংক্রান্ত অনিয়মের পুনরাবৃত্তি; সব মিলিয়ে দেশের সবচেয়ে পুরোনো বেসরকারি আর্থিক প্রতিষ্ঠান পূবালী ব্যাংকের সুশাসন গভীর প্রশ্নের মুখে পড়েছে। অনুসন্ধানে ব্যাংকটিতে গুরুতর অনিয়ম বের হলেও তদন্ত স্থগিত হয়ে যাওয়া এবং যথাযথ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা না নেওয়ায় এটা প্রমাণ হয় যে, পরিচালনা পর্ষদে দীর্ঘদিনের ক্ষমতার ভারসাম্যহীনতা ও দুর্বল তদারকি পূবালী ব্যাংককে ঠেলে দিয়েছে কাঠামোগত সংকটের দিকে। এই সংকটের কেন্দ্রে রয়েছে বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেন এবং আমদানি ঋণপত্র (এলসি) নিষ্পত্তিতে ধারাবাহিক অনিয়ম। নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলো বারবার এসব সমস্যা চিহ্নিত করলেও শেষ পর্যন্ত সমাধান করা হয়নি। বাংলাদেশ ব্যাংকের ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টিগ্রিটি…

Read More