Author: তাকী মোহাম্মদ জোবায়ের

দুই মাস নয় দিনে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ প্রায় ৪ হাজার ৭০০ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। আরও প্রায় ২০০ কর্মী ছাঁটাইয়ের তালিকায় রয়েছেন। এদিকে নতুন করে ব্যাংকটিতে আরও প্রায় ৫ হাজার কর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে। ইসলামী ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। চাকরির নিয়ম ভাঙার অভিযোগে গত ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে কর্মী ছাঁটাই শুরু করে ইসলামী ব্যাংক। ওইদিন ২০০ কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত ও ৪ হাজার ৭৭১ কর্মকর্তাকে ওএসডি (অফিসার অন স্পেশাল ডিউটি) করা হয়। পরে কয়েক ধাপে ওএসডি করা কর্মকর্তাদের মধ্য থেকেই রোববার পর্যন্ত ৪ হাজার ৫০০ জনকে বরখাস্ত করা হয়েছে। গত ২৭ সেপ্টেম্বর বিশেষ দক্ষতা মূল্যায়ন পরীক্ষায় উপস্থিত না…

Read More

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তাদের কাজের ধীরগতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তফসিলি ব্যাংকের শীর্ষ নির্বাহীরা। তারা বলেছেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তাদের টেবিলে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলো মাসের পর মাস আটকে আছে। এতে আর্থিক খাতের কার্যক্রম স্থিমিত হয়ে পড়েছে। রোববার অনুষ্ঠিত হওয়া ব্যাংকার্স সভায় এই বিষয় নিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তাদের সঙ্গে তীব্র বাদানুবাদ হয় ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের। এ সময় বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুরসহ ডেপুটি গভর্নররা উপস্থিত ছিলেন। সভার একাধিক সূত্র জানিয়েছে, তীব্র বাদানুবাদের এক পর্যায়ে গভর্নর হস্তক্ষেপ করেছেন। তিনি বলেন, ব্যাংক থেকে আসা যেকোনো চিঠি পাওয়ার সাত দিনের মধ্যে জবাব দিতে হবে বাংলাদেশ ব্যাংককে। এর মধ্যে জবাব না পেলে এই বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক সম্মত বলে…

Read More

শুরুটা হয়েছিল এমন একটি নাম দিয়ে, যার অস্তিত্বই নেই। চলতি বছরের জুনে গণপূর্ত অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা দরপত্র সংক্রান্ত নথি পর্যালোচনা করতে গিয়ে দেখেন দুটি দরদাতার একই নাম, একই পরিচালক, একই মালিকানা প্রতিষ্ঠান এমনকি ঢাকার একই ঠিকানা ব্যবহার করা হয়েছে। একটি ছিল বৈধ, অন্যটি ছিল শুধু সরকারের ই-জিপি ক্রয় প্ল্যাটফর্মের ভেতরে। আর এই দুটোই প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের। এই ঘটনার সূত্র ধরেই বেরিয়ে আসে আরও বড় অনিয়মের খবর। একটি শব্দের দুটি বানান ‘লিমিটেড’ ও ‘এলটিডি’ ব্যবহার করে বহু বছর ধরে গড়ে তোলা একটি সুপরিকল্পিত দুর্নীতির জাল। টাইমসের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, প্রাণ–আরএফএল দীর্ঘদিন ধরে ছায়া দরপত্র নেটওয়ার্ক পরিচালনা করছে। যেখানে ব্যবহার হয়েছে নকল করপোরেট…

Read More

বেসরকারি খাতের এবি ব্যাংককে ১ হাজার ৫শ কোটি টাকা ধার দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ৯০ দিনের জন্য দেওয়া এই তারল্য সুবিধার মুনাফার হার ১১.৫০ শতাংশ। এবি ব্যাংকের আবেদনের প্রেক্ষিতে ১৬ নভেম্বর গভর্নর আহসান এইচ মনসুর এই ধারের বিষয়টি অনুমোদন করেন। ওইদিনই ব্যাংকটি বাংলাদেশ ব্যাংকে প্রতিশ্রুতিপত্র জমা দিলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মতিঝিল অফিসে পরিচালিত এবি ব্যাংকের হিসাবে ধারের টাকা জমা হয়। এর আগেও তিন ধাপে ৭৮০ কোটি টাকা ধার নিয়েছে ব্যাংকটি যার মধ্যে ১০ কোটি টাকা পরিশোধ করেছে। সব মিলিয়ে ব্যাংকটির কাছে বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংকের পাওনা রয়েছে ২ হাজার ২৭০ কোটি টাকা। সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাংকটি দুর্দশায় পড়ায় আমানতকারীদের দিক থেকে টাকা উত্তোলনের ব্যাপক…

Read More

নিজের বিরুদ্ধে অর্থ পাচার ও কর ফাঁকির তদন্ত ঠেকাতে খোদ আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থার প্রধানকেই ‘সরিয়ে’ দিয়েছিলেন জাহাজ ভাঙা শিল্পের আলোচিত-সমালোচিত ব্যবসায়ী মো. শওকত আলী চৌধুরী। টাইমস অব বাংলাদেশের অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে, অন্য সব উপায়ে ব্যর্থ হয়ে শওকত আলী ও তার সহযোগীরা বাংলাদেশ আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থার (বিএফআইইউ) প্রধান এ এফ এম শাহীনুল ইসলামকে ‘হানি ট্র্যাপে’ ফেলে পদচ্যুত করার মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছিলেন। আর তাতে সক্ষমও হন তারা। এই ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু হওয়ার মাত্র ৪৯ দিন পরই শাহীনুলকে সরে যেতে হয়। এতে চাপা পড়ে যায় একটি বড় আর্থিক কেলেঙ্কারির তদন্ত কার্যক্রম। শুধু প্রধান নন, পুরো গোয়েন্দা টিমকেই সেসময় ভেঙে দেওয়া…

Read More

টাইমস অব বাংলাদেশ দীর্ঘ অনুসন্ধানী ধারাবাহিক প্রতিবেদন শুরু করেছে। ব্যবসায়ী মো. শওকত আলী চৌধুরীর বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, তিনি ভুতুড়ে জাহাজ কেনার আড়ালে অফশোর কোম্পানির মাধ্যমে বিপুল অর্থ পাচার ও কর ফাঁকি দিয়েছেন। এ বিষয়ে ধারাবাহিক প্রতিবেদনের তৃতীয় পর্ব প্রকাশিত হলো বৃহস্পতিবার। ব্রিটিশ ভার্জিন আইল্যান্ডে বাংলাদেশের ব্যবসায়ী মো. শওকত আলী চৌধুরী গড়ে তুলেছেন শেল কোম্পানির এক গোপন সাম্রাজ্য। সেগুলোর মাধ্যমে তিনি বছরের পর বছর ধরে কোটি কোটি ডলার পাচার করেছেন। চট্টগ্রামের জাহাজভাঙা শিল্পের কয়েকজন ব্যবসায়ীও যুক্ত হয়েছেন তার এই অফশোর নেটওয়ার্কে, যা গড়ে তোলা হয়েছে গ্রেট ব্রিটেন অধিকৃত এই সামুদ্রিক অঞ্চলে। টাইমস অব বাংলাদেশের দীর্ঘ অনুসন্ধানে জাহাজ ভাঙা শিল্পের শীর্ষ ব্যবসায়ী…

Read More

বাংলাদেশের ব্যবসায়ী মো. শওকত আলী চৌধুরী সিঙ্গাপুরে দুটি বিলাসবহুল ফ্ল্যাট কিনেছেন। আর এই ফ্ল্যাট কেনার জন্য ব্যবহার করেছেন ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জে নিবন্ধিত একাধিক শেল কোম্পানির মাধ্যমে পাচার করা অর্থ। অনুসন্ধানে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও যুক্তরাজ্যেও তার সম্পদের খোঁজ পেয়েছে টাইমস অব বাংলাদেশ। এসব সম্পদও পাচারের অর্থেই কেনা। টাইমসের অনুসন্ধানে সিঙ্গাপুর ল্যান্ড অথরিটি (এসএলএ) থেকে পাওয়া নথিতে দেখা গেছে, এস এন করপোরেশনের চেয়ারম্যান শওকত ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলার, অর্থাৎ প্রায় ৭৯ দশমিক ৩ কোটি টাকায় ওশান ড্রাইভের বিলাসবহুল ভবন ‘দ্য কোস্ট অ্যাট সেন্তোসা কোভ’-এর দুটি কন্ডোমিনিয়াম বা বিলাসবহুল ফ্ল্যাট কিনেছেন। ২০২৩ সালের ২ মে এই ফ্ল্যাট কেনার সময় নিজের বাংলাদেশি…

Read More

টাইমস অব বাংলাদেশ দীর্ঘ অনুসন্ধানী ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশ শুরু করেছে। ব্যবসায়ী মো. শওকত আলী চৌধুরীর বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, তিনি ভুতুড়ে জাহাজ কেনার আড়ালে অফশোর কোম্পানির মাধ্যমে বিপুল অর্থ পাচার ও কর ফাঁকি দিয়েছেন। এ বিষয়ে ধারাবাহিক প্রতিবেদনের প্রথম পর্ব প্রকাশিত হলো মঙ্গলবার। বাংলাদেশের চট্টগ্রাম উপকূলে জাহাজ ভাঙা শিল্পের আড়ালে এস এন করপোরেশনের চেয়ারম্যান মো. শওকত আলী চৌধুরীর অর্থ পাচারের এক অন্ধকার ইতিহাস উন্মোচিত হয়েছে। এই পাচারের কাজে তিনি বহুজাতিক স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংককে ব্যবহার করেছেন, ফাঁকি দিয়েছেন আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থাগুলোকে। কিন্তু তারপরও অদৃশ্য থেকে গেছে গোটা কেলেঙ্কারিটা। কারণ, কোনো এক অদ্ভুত নীরবতায় চোখ বুজে ছিল বাংলাদেশের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। টাইমস অব বাংলাদেশের…

Read More

শরিয়াহভিত্তিক পাঁচটি ব্যাংক একীভূতকরণে সামনে আসা আইনি প্রশ্নগুলোর কোনো সুরাহা না করেই চলতি সপ্তাহে নতুন ব্যাংকের অনুমোদন দেওয়ার পাশাপাশি এগুলোতে প্রশাসক বসাতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। আইনজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশ ব্যাংক যেটি করছে তা মার্জার বা একীভূতকরণের সংজ্ঞায় পড়ে না। তারা বলেছেন, এটি না মার্জার হচ্ছে, না লিকুইডেশন বা অবলোপন হচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারাও টাইমস অব বাংলাদেশের কাছে স্বীকার করেছেন, আসলে এটি মার্জার ও লিকুইডেশনের ‘মাঝামাঝি কিছু একটা’ হচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্ভরযোগ্য সূত্র টাইমসকে জানিয়েছে, রোববার গভর্নর আহসান এইচ মনসুরের কার্যালয়ে সংশ্লিষ্ট একাধিক কর্মকর্তার উপস্থিতিতে পাঁচ ব্যাংকের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। ওই আলোচনার সিদ্ধান্ত…

Read More

আইন ভেঙে দুজন গ্রাহককে বড় অঙ্কের বৈদেশিক মুদ্রা দেশের বাইরে নিয়ে যেতে সহযোগিতা করায় ব্যাংক এশিয়াকে ৩০ লাখ টাকা জরিমানা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। গত ২৪ সেপ্টেম্বর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা পরিদর্শন বিভাগ এই জরিমানা করে। জরিমানার অর্থ বেসরকারি খাতের এই ব্যাংকটিকে পরিশোধ করতেই হবে বলে নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এক্ষেত্রে আপিলের কোনো সুযোগ নেই। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে টাইমস অব বাংলাদেশকে বলেন, ‘ব্যাংকের সংশ্লিষ্টতা সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় বিদ্যমান আইনে সর্বোচ্চ জরিমানা করা হয়েছে ব্যাংক এশিয়াকে।’ বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, ফারহানা করিম ও আলায়না চৌধুরী নামে দুজন গ্রাহক কয়েক ধাপে প্রায় ২ লাখ ১৮ হাজার…

Read More