নাগাসাকি দিবস উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) সেমিনার ও শান্তি র্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার ঢাবির আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউট (আইএমএল) ও জাপানের মেট্রো প্লাস কোম্পানি লিমিটেড যৌথভাবে এ কর্মসূচির আয়োজন করে।
আইএমএল অডিটোরিয়ামে সেমিনারে বক্তব্য দেন নাগাসাকির মেট্রো প্লাসের প্রেসিডেন্ট আয়াকো কাওয়াসাকি ও ঢাবির জাপানি ভাষা ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ আনসারুল আলম। বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকায় জাপান দূতাবাসের কালচারাল সেকশনের প্রধান ইউ আওয়াগি ও মেট্রো প্লাসের চেয়ারম্যান তাকাশি কাওয়াসাকি।
প্রধান অতিথি ছিলেন সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক কাজী মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান। সভাপতিত্ব করেন আইএমএলের পরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আবছার কামাল। সঞ্চালনা করেন প্রভাষক আনিকা বেগম।
বক্তারা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ও পরে নাগাসাকির বাসিন্দাদের দুর্ভোগের কথা তুলে ধরেন। ভয়াবহ ধ্বংসের পর শহরটির আধুনিক নগরীতে পরিণত হওয়ার ইতিহাসও তুলে ধরা হয়। শান্তি, মানবিকতা ও পারস্পরিক সহযোগিতার গুরুত্বের ওপর জোর দেন তারা।
অনুষ্ঠানে প্রথম জাপানি ভাষা রচনা প্রতিযোগিতার পুরস্কার দেওয়া হয়। ঢাবির শিক্ষার্থী সুমাইয়া আক্তার সুমি প্রথম হন। মেট্রো আইটি অ্যান্ড জাপানিজ ল্যাঙ্গুয়েজ ইনস্টিটিউটের মো. শাহী আহমেদ দ্বিতীয় ও মারিয়া তাসনিম তৃতীয় হন।
অনুষ্ঠানে জাপান ফাউন্ডেশনের বিশেষজ্ঞ তোমোয়ুকি ফুকুই, মেট্রো আইটির ইয়োশিও ইসোজাকি ও তাকিকো হোন্ডা, আইএমএলের শিক্ষক বিপুল চন্দ্র দেবনাথ ও শাহরিন মোস্তফা সৃষ্টিও উপস্থিত ছিলেন।
পরে নাগাসাকি থেকে আসা অতিথি, ঢাবির শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও মেট্রো আইটির প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে শান্তি র্যালি হয়। র্যালিটি আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউট থেকে শুরু হয়ে রাজু ভাস্কর্য হয়ে অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে গিয়ে শেষ হয়।


