আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে বস্তাপচা রাজনীতির কবর রচনার নির্বাচন বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান।
তিনি বলেছেন, ‘আগামী ১২ তারিখ দেশের বাঁক পরিবর্তনের নির্বাচন। এই নির্বাচন ১৪শ শহীদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে নির্বাচন। এই নির্বাচন আয়নাঘরের অবসানের নির্বাচন। এই নির্বাচন বস্তাপঁচা রাজনীতির কবর রচনার নির্বাচন।’
রোববার দুপুরে জামালপুর শহরের সিংহজানী বহুমুখী উচ্চবিদ্যালয় মাঠে জামালপুর জেলা জামায়াতের আয়োজনে এক নির্বাচনী সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জনসভায় জামায়াত আমির বলেন, ‘নির্বাচনে দুইটি ভোট। প্রথম ভোট “হ্যাঁ”-এর পক্ষে। “হ্যাঁ” জিতলে বাংলাদেশ জিতবে। “হ্যাঁ” মানে আজাদি, “না” মানে গোলামি। অনেকে আছে “হ্যাঁ” বলে না, আবার “না”ও বলে না।’
তিনি বলেন, ‘কিছু দল তারা “হ্যাঁ” ভোটের ব্যাপারে কিছু বলতে চান না। আমরা বিনয়ের সঙ্গে জানতে চাই, আমরা “হ্যাঁ” নাকি না তা ভালো করে বলেন। আস্তে আস্তে লুকিয়ে লুকিয়ে বলেন কেন। “না” বললে সেটিও ভালো করে বলেন।’
ন্যায় ও ইনসাফের বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে দাঁড়িপাল্লা মার্কায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘জামালপুরে পাঁচটি আসনের সেবক হিসেবে আমাদের জয়ী করতে হবে। ১৮ কোটি মানুষের বিজয় হলে জামায়াতে ইসলামীর বিজয় হবে। আমরা দুর্নীতি করব না, চাঁদা তুলতে দেব না।’
ক্ষমতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ক্ষমতা যাওয়া চাঁট্টিখানি কথা নয়, এইটা দায়িত্বের বোঝা।’
তিনি আক্ষেপ করে বলেন, ‘আমাদের মহিলাদের গায়ে হাত তুলছে অনেক জায়গায়। আমরা চাই যে যার মতো বক্তব্য নিয়ে জনগণের কাছে যাক। যদি কোনো দুর্বৃত্ত অপমান বা ধমক দেওয়ার চেষ্টা করে, তাদের ছাড় দেওয়া হবে না। এদের চোখে চোখ রেখে কথা বলবেন।’
সভায় আরও বক্তব্য দেন জামায়াতের সাংগঠনিক সেক্রেটারি ছামিউল হক ফারুকী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) এসএম ফরহাদ, জেলা জামায়াতের আমির মোহাম্মদ আব্দুস সাত্তার এবং জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল আব্দুল আওয়াল।


