দেশের ক্রিকেটে ব্রাত্য হয়ে পড়েছেন সাকিব আল হাসান। এক সময়কার দলের অবিচ্ছেদ্য অংশ বাংলাদেশের জার্সি গায়ে তোলা দূরে থাক, দেশে ফেরার পরিস্থিতিতেও নেই তার রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে। ছাত্র জনতার অভ্যুত্থানের মুখে পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি ছিলেন তিনি। ২০২৪ সালের জুলাইয়ের আগ থেকেই অবশ্য তিনি পরিবারের সাথে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন।
এরই মধ্যে সোমবার শীর্ষস্থানীয় ইংরেজি দৈনিক ‘দ্য ডেইলি স্টার’-এ প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে রাজনৈতিক ক্যারিয়ার নিয়ে করা মন্তব্যে জনমনে বেশ ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। সেই সাক্ষাৎকারে সাকিব বলেছিলেন, ‘যেহেতু আমাদের দলের (আওয়ামী লীগ) কার্যক্রম নাই সেহেতু চেষ্টা করছি ক্রিকেটটা খেলে যাওয়ার। দলের যখন কার্যক্রম যখন শুরু হবে বা আমরা করতে পারব তখন হয়ত আবার চেষ্টা করব রাজনীতিটা করার।’
এরপর শুরু হয় আলোচনা-সমালোচনা। সেসব থামাতে সোমবার রাত ১০টা ৪১ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে সাকিব লেখেন, ‘আসসালামু আলাইকুম সবাইকে, সম্প্রতি গণমাধ্যমে আমার একটি বক্তব্য বেশ আলোচনা তৈরি করেছে। আমি সবার কাছে বিষয়টি খুব স্পষ্টভাবে তুলে ধরতে চাই। এই মুহূর্তে আমার পুরো মনোযোগ শুধুই ক্রিকেটে। ক্যারিয়ারের এই শেষ পর্যায়ে এসে আমি বাংলাদেশ জাতীয় দলের হয়ে সর্বোচ্চ উজাড় করে খেলতে চাই এবং সুযোগ পেলে দেশকে কিছু দারুণ পারফরম্যান্স উপহার দিতে চাই।’


