পাবনা সদর উপজেলার আতাইকুলায় যাত্রীবাহী বাস ও মরদেহবাহী অ্যাম্বুলেন্সের সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে চারজনে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন কয়েকজন।
বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে পাবনা-ঢাকা মহাসড়কের সদর উপজেলার আতাইকুলা থানার সড়াডাঙ্গি করইতলা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন পাবনা সাঁথিয়া উপজেলার মাহমুদপুর গ্রামের ছলিম প্রামানিক (৭০), তার স্ত্রী বুলু খাতুন (৫৫) ও অ্যাম্বুলেন্সের চালক পাবনা পৌর সদরের উত্তর শালগাড়িয়া এলাকার রাজ হোসেন (৩৫)।
তাদের মধ্যে বুলু খাতুন ও রাজ হোসেন ঘটনাস্থলেই মারা যান। গুরুতর আহত ছলিম প্রামানিককে উন্নত চিকিৎসার জন্য পাবনা থেকে রাজশাহী নেওয়ার পথে সকাল ১১টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
মাধপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান জানান, কিডনী রোগে মারা যাওয়া শিশু কেয়ার মরদেহ নিয়ে অ্যাম্বুলেন্সে করে রাজশাহী থেকে পাবনায় ফিরছিলেন স্বজনরা। আর পাবনা এক্সপ্রেস নামের যাত্রীবাহী বাসটি ঢাকা থেকে পাবনায় ফিরছিল। দুটি যান সড়াডাঙ্গি করইতলা এলাকায় পৌঁছালে বাস ও অ্যাম্বুলেন্সের সংঘর্ষ হয়।
এ ঘটনায় গুরুত আহত হয়েছেন ছলিম প্রামানিকের মেয়ে নাজনিন খাতুন (৪০), নাতী রিয়াদ সরদার (১৭) ও একই গ্রামের রেজাউল করিমের ছেলে নাফিজ (৮)। তাদের উদ্ধার করে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। নিহত ছলিম ও বুলু নিহত শিশু কেয়ার নানা-নানি বলে জানা গেছে।
ওসি মাহবুবুর রহমান জানান, খবর পেয়ে মাধপুর হাইওয়ে থানা পুলিশ দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুর্ঘটনায় নিহত দুইজন ও অ্যাম্বুলেন্সে থাকা শিশুর মরদেহ উদ্ধার করে। দূর্ঘটনাকবলিত বাস ও অ্যাম্বুলেন্স পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। দুইজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।


