ফুটবলে ফিরে এল ফকল্যান্ড যুদ্ধ!

ফুটবলে ফিরে এল ফকল্যান্ড যুদ্ধ!
Advertisement
Advertisement

প্রায় দুইশ’ বছর ধরে ব্রিটেনের(যুক্তরাজ্য) দখলে আছে দূরত্বের দিক থেকে আর্জেন্টিনার কাছে আটলান্টিক মহাসাগরের ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ। কিন্তু আর্জেন্টিনার দাবি, এই দ্বীপপুঞ্জ তাদের। আর্জেন্টাইনদের কাছে এই দ্বীপের নাম মালভিনাস।

আর্জেন্টিনা থেকে ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের দূরত্ব মাত্র তিনশ মাইল, আর ব্রিটেন থেকে দূরত্ব আট হাজার মাইল।

১৯৮২ সালের ২ এপ্রিল হঠাৎ নৌবাহিনী পাঠিয়ে মাত্র দুই হাজার বাসিন্দার ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ দখল করে নেয় আর্জেন্টিনা। আর তা পুনরুদ্ধারে বিমানবাহী রণতরীসহ নৌবহর পাঠায় ব্রিটেন। আড়াই মাসের যুদ্ধে ৬৪৯ জন আর্জেন্টাইন ও ২৫৫ জন ব্রিটিশ সৈন্য আর স্থানীয় তিন বেসামরিক নাগরিকের প্রাণহানির পর ১৪ জুন আত্মসমর্পণ করে আর্জেন্টিনা।

তবে আর্জেন্টিনা কখনো ফকল্যান্ডের দাবি ছেড়ে দেয়নি, সেই যুদ্ধে আর্জেন্টাইন সেনাদের প্রাণহানির ক্ষতও ভুলতে পারেনি। ইংল্যান্ডের সঙ্গে ফুটবল ম্যাচ হলেই আর্জেন্টাইনরা স্মরণ করেন নিজেদের  সেই যোদ্ধাদের।

আবারও এসেছে আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড ম্যাচ, চলতি বিশ্বকাপ ফুটবলের সেমিফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে দুই দেশ। অবধারিতভাবেই আবারও এসেছে ফকল্যান্ড যুদ্ধের কথা।

আরও পড়ুন

সেই যুদ্ধের কথা স্মরণ করে ইংল্যান্ডকে ‘হানাদার, জবরদখলকারী’ আখ্যা দিয়েছেন আর্জেন্টিনার ভাইস প্রেসিডেন্ট ভিক্টোরিয়া ভিয়ারুয়েল।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে করা পোস্টে তিনি বলেছেন, ‘আমরা এক জবরদখলকারী জলদস্যু দেশের বিরুদ্ধে খেলতে যাচ্ছি। এটা কেবল একটা ম্যাচ নয়, তার চেয়ে অনেক বেশি কিছু। আমি অন্যদের মতো রাজনৈতিকভাবে সঠিক বা অনুভূতিহীন মন্তব্য করতে পারবো না।’

এখানেই থেমে থাকেননি তিনি। বলেছেন: শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত তারা দাবি করে যাবেন ফকল্যান্ড তাদের। ‘যেমন ডিয়াগো ম্যারাডোনা তাদের, মেসি তাদের।

আর্জেন্টাইন ভাইস প্রেসিডেন্ট লেখেন, ‘এ হলো আমাদের মালভিনাস (ফকল্যান্ড), আমাদের দিয়েগো এবং হানাদারদের রুখে দিতে এটা লিও’র(মেসি) শেষ সুযোগ। এগিয়ে যাও আর্জেন্টিনা!’

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad