আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগামী আসর অনুষ্ঠিত হবে ভারত ও শ্রীলংকা মিলিয়ে। তবে আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি পর্দা উঠতে যাওয়া এই বৈশ্বিক টুর্নামেন্টের ভারত পর্বে খেলতে যাবে না বাংলাদেশ। মূলত ক্রিকেটার, টিম অফিসিয়াল, দর্শক ও টুর্নামেন্ট কভার করতে চাওয়া সাংবাদিককদের নিরাপত্তার শংকা থেকেই রোববার আনুষ্ঠানিক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তা জানিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
মূলত উগ্রবাদীদের আন্দোলন ও হুমকির মুখে, বিসিসিআইয়ের নির্দেশনা মোতাবেক মোস্তাফিজুর রহমানকে কলকাতা নাইট রাইডার্স সরিয়ে দেয়ার পর থেকেই নানান দিকে মোড় নিয়েছে ঘটনা। শনিবার রাতের পর রোববারও দুপুর ১টায় জরুরি সভা ডাকে বিসিবি। ১৭ পরিচালকের উপস্থিতিতে হওয়া সেই সভা শেষেই আসে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত। সংবাদ বিজ্ঞতিতে জানানো হয়, ভারতের বাইরে বাংলাদেশের গ্রুপ পর্বের সকল ম্যাচের ভেন্যু সরিয়ে নিতে আইসিসিতে আবেদন করেছে বিসিবি।
এর আগে শনিবার রাতে সিলেটে প্রথম দফায় জরুরি বৈঠক ডাকে বিসিবি। সেখান থেকে সিদ্ধান্ত আসে নিরাপত্তা পরিস্থিতি যাচাই করতে আইসিসিতে ইমেইল পাঠানোর। একইসাথে বিসিসিআইয়ের কাছেও আরেকটি ইমেইলের মাধ্যমে জানতে চাওয়া হয় কেন তারা মোস্তাফিজকে এভাবে বাদ দিয়েছে। যেহেতু প্রথমে নিলামের পর বিসিবির কাছ থেকে মোস্তাফিজের জন্য অনাপত্তিপত্র চেয়েছিল বিসিসিআই।
তবে রোববার নাটকীয় বদল আসে ঘটনাপ্রবাহে। সকাল থেকেই খবর চাউর হয় বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে যাচ্ছে না বাংলাদেশ। অবশেষে সত্যি প্রমাণ হলো সেটাই। বিসিবি আরো জানিয়েছে, আইসিসির সিদ্ধান্তের জন্য অপেক্ষা করবেন তারা।


