Author: আলীম হায়দার

এসএসসি পরীক্ষার প্রথম দিন রাজধানীর একটি স্কুলে ভিন্ন সেটে পরীক্ষা নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বলছেন, এটা ভুল করে হয়েছে। মঙ্গলবার রামপুরার একরামুন্নেচ্ছা বালক উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের দ্বিতীয় সেন্টারে এ ঘটনা ঘটে। তবে ওই কেন্দ্রের অপর সেন্টারে ঠিক প্রশ্নেই পরীক্ষা হয়েছে। ঢাকা বোর্ডের অধীনে বাংলা প্রথম পত্র লিখিত পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে এক নম্বর সেটে। কিন্তু একরামুন্নেচ্ছা স্কুলে বয়েজ বিল্ডিংয়ের দ্বিতীয় সেন্টারে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে তিন নম্বর সেটে। সেখানে পরীক্ষা দিয়েছেন ৭৬০ জন পরীক্ষার্থী। এই ঘটনায় স্কুলের প্রধান শিক্ষক ও কেন্দ্র সচিব মিজানুর রহমান হাওলাদারকে পরীক্ষার দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। তবে প্রশ্নপত্র ভুলের ঘটনায় শিক্ষার্থীরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন না দাবি করে…

Read More

রাজধানীর গণপরিবহনে নিয়মিত অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের শিকার হচ্ছেন যাত্রীরা। কোথাও কোথাও আদায় করা হচ্ছে সরকারি নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ টাকা। দুর্বল তদারকি এবং বিতর্কিত টিকিট পদ্ধতির কারণে ঢাকার পরিবহন খাতে বর্তমানে চরম নৈরাজ্য বিরাজ করছে। পল্লবীর বাসিন্দা সজিব শেখ প্রতিদিন মিরপুর থেকে ফার্মগেটে যাতায়াত করেন। সরকারি হিসেবে ৯ কিলোমিটারের এই যাত্রায় ভাড়া হওয়ার কথা ২১ টাকা ৬০ পয়সা। অথচ রাজধানী ও আলিফ পরিবহনের বাসে তাকে প্রতিদিন ৩০ টাকা দিতে হয়। দীর্ঘদিন ধরে এই বর্ধিত ভাড়া দিতে দিতে সজিব এখন বিশ্বাস করেন, এটিই হয়তো সরকার নির্ধারিত ভাড়া। সজিবের মতো ঢাকার অসংখ্য যাত্রী এখন বাধ্য হয়েই বেশি ভাড়া দিচ্ছেন। জ্বালানি তেলের…

Read More

শিক্ষা খাতের বর্তমান সংকট এড়িয়ে কেবল পরীক্ষার নকল নিয়ে বারবার কথা বলে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। শিক্ষাবিদ ও বিশ্লেষকদের মতে, মন্ত্রীর এমন অতি আগ্রহের কারণে শিক্ষা খাতের গভীর ও কাঠামোগত সমস্যাগুলো আড়ালে পড়ে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, ৬৯ বছর বয়সী এই মন্ত্রী ছোট শিশুদের পড়াশোনা করার এবং নকল না করার নসিহত দিচ্ছেন। তার এই মন্তব্য নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক শুরু হয়েছে। এত ছোট শিশুরা আদৌ নকলের বিষয়টি বোঝে কি না তা নিয়ে অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন। দুই দশকেরও বেশি সময় পর আবার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়া মিলন…

Read More

এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীরা অবসরোত্তর সুবিধা পেতে মাসের পর মাস ঘুরতে থাকার মধ্যে এক কর্মকর্তার অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় অবসর সুবিধা বোর্ডের সার্ভার ১০ মাস ধরে বন্ধ। এ কারণে বেশ কয়েক মাস শিক্ষক-কর্মচারীদেরকে অবসরোত্তর সুবিধা পাননি। এখন বিকল্প ব্যবস্থায় অবসর সুবিধা ছাড় করা হলেও তাতে জটিলতার কারণে দীর্ঘসূত্রতা তৈরি হয়েছে। বোর্ডের প্রোগ্রামার মো. জামাল হোসেনের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নথি জালিয়াতির মাধ্যমে প্রায় ৫৭ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। অভ্যন্তরীণ তদন্তের তথ্য অনুযায়ী তিনি ভুয়া ইনডেক্স নম্বর এবং জাল কাগজপত্র ব্যবহার করে এই অর্থ তুলে নিয়েছেন। অনেক ক্ষেত্রে তিনি জীবিত আবেদনকারীদের মৃত দেখিয়ে ভুয়া নমিনি তৈরি করেন। গত বছরের জুন মাসে এই জালিয়াতি ধরা…

Read More

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নাম ভাঙিয়ে রাজধানীর মেরুল বাড্ডার ডিআইটি প্রজেক্ট খেলার মাঠে সপ্তাহব্যাপী বৈশাখি মেলা আয়োজনের চেষ্টা স্থানীয়দের প্রতিরোধে ভণ্ডুল হয়েছে। তবে যাদের বিরোধিতায় এটি বন্ধ হয়েছে, তাদের অনেকেই হুমকি ধামকির শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি থানা-পুলিশ পর্যন্ত গড়িয়েছে। আর মেলার স্টলের সরঞ্জাম এখনও মাঠে পড়ে থাকায় শিশুদের খেলাধুলা ব্যাহত হচ্ছে। স্থানীয়রা জানান, ১৪ এপ্রিল থেকে সপ্তাহব্যাপী বৈশাখী মেলা আয়োজনের জন্য ৪ এপ্রিল ডিআইটি প্রজেক্ট খেলার মাঠে অস্থায়ী দোকানপাট নির্মাণ ও বিনোদনের সরঞ্জাম স্থাপনের কাজ শুরু করে একটি চক্র। মাঠের একপাশে মসজিদ, একপাশে স্কুল এবং অন্যদিকে আবাসিক ভবন হওয়ায় এলাকাবাসী এর বিরোধিতা করে। আয়োজকরা বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নাম ভাঙানোর পর স্থানীয়…

Read More

এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের প্রতি সাত জনের একজন জীবদ্দশায় তাদের প্রাপ্য অবসরোত্তর সুবিধা নিশ্চিত করতে পারছেন না। বয়সের ভার আর রোগে ক্লান্ত শ্রান্ত বয়োজ্যেষ্ঠ এসব ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করলে এই সুবিধা পেতে যুদ্ধ শুরু করতে হচ্ছে তাদের উত্তরাধিকারদের। দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত হয়ে জীবনমৃত্যুর সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে চিকিৎসার জন্যও অনেকে প্রাপ্য অর্থ পাচ্ছেন না। অথচ অবসর জীবন তাদের আরাম আয়েশে কাটানোর কথা। অবসরোত্তর সুবিধা একারণেই দেওয়া হয়ে থাকে। রাজধানীর ইস্কাটনে ‘বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক ও কর্মচারী অবসর সুবিধা বোর্ডে’ গেলেই দেখা মেলে এমন অনেক শিক্ষকদের। যারা চাকরিতে থাকা অবস্থায় নিজের জমানো টাকা ফেরত পেতে অনুনয় বিনয় করেন। কিন্তু ফিরতে হয় হতাশ আর…

Read More

ব্যাংকার বাবা-মার ছোট্ট কন্যা নিশাত তাসনিম নুহা। রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকার একটি ইংরেজি মাধ্যম স্কুলে দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ছে। সপ্তাহের তিনদিন অনলাইনে ক্লাস হতে পারে শুনে চিন্তিত তার মা রুহি আলম। কারণ, অনলাইন ক্লাসে যোগ দিতে নুহা নিজে নিজে ডিভাইসে লগ-ইন করতে পারবে না। রুহি বলেছেন, ‘বড় ছেলে ক্লাস নাইনে পড়ে। সে না হয় সামলে নিতে পারবে। কিন্তু মেয়ে তো ছোট…. আমি বা ওর বাবা না থাকলে ওকে অনলাইনে ক্লাস করাবে কে? বাসায় দুজন হেল্পিং হ্যান্ড থাকলেও তারা তো ওকে এ ব্যাপারে সাহায্য করতে পারবে না।’ হঠাৎ এই অনলাইন ক্লাসের আলোচনা তৈরি হয়েছে জ্বালানি সাশ্রয়ের একটি উপায় হিসেবে। বলা হচ্ছে, সপ্তাহে তিনদিন…

Read More

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় এক গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণ উপস্থিত হয়েছে। দেশের বিশাল তরুণ জনগোষ্ঠীকে দক্ষ করে তোলাই এখন অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনের একমাত্র পথ বলে মনে করছেন নীতিনির্ধারকরা। নির্বাচনের আগে বিএনপি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল যে তারা ক্ষমতায় গেলে এক কোটি মানুষের কর্মসংস্থান করবে এবং কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষাকে অগ্রাধিকার দিয়ে শিক্ষাব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আনবে। বর্তমান বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে কর্মসংস্থান বাড়াতে দক্ষ জনশক্তি তৈরির কাজ শুরু করেছে। তবে দক্ষ জনশক্তি তৈরির এই চেষ্টা দেশে নতুন নয়। এক দশকেরও বেশি সময় আগে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারও কারিগরি শিক্ষার মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মকে কাজে লাগানোর উদ্যোগ নিয়েছিল। ২০১০ সালে পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটগুলোর…

Read More

দেশে অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা বাস্তবায়নের সরকারি প্রতিশ্রুতি থাকলেও বাস্তবে তা অনেকটাই অন্তঃসারশূন্য হয়ে পড়েছে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া হাজার হাজার বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশু কোনো ধরনের অর্থবহ সহায়তা পাচ্ছে না, যা সরকারের এই শিক্ষানীতি বাস্তবায়নের সদিচ্ছাকেই প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা জানান, বর্তমানে সারা দেশে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে অন্তত এক লাখ দুই হাজার ৬৫৬ জন প্রতিবন্ধী বা বিশেষ শিখন চাহিদাসম্পন্ন শিশু পড়াশোনা করছে। এদের মধ্যে প্রায় অর্ধেক শিক্ষার্থীই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের। প্রাথমিক স্তরে এমন বিশাল সংখ্যক শিক্ষার্থী থাকলেও তাদের জন্য নেই কোনো প্রশিক্ষিত শিক্ষক, বিশেষায়িত পাঠদান পদ্ধতি কিংবা প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ। এই সহায়তাহীন পরিবেশে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া এক প্রকার অসম্ভব…

Read More

স্বাধীনতার পর একটি স্বতন্ত্র শিক্ষানীতি প্রণয়ন করতে এ দেশের সরকারগুলো সময় নিয়েছে দীর্ঘ ৩৯ বছর। অবশেষে ২০১০ সালে দেশের প্রথম একটি কার্যকর শিক্ষানীতি প্রণয়ন করা হলেও, পরবর্তী ১৬ বছরে এর অধিকাংশ সুপারিশ বাস্তবায়িত হয়নি। মূলত সরকারের অঙ্গীকারের অভাব ও শিক্ষাকে যথাযথ অগ্রাধিকার না দেওয়ায় এই স্থবিরতা তৈরি হয়েছে। এমনকি শিক্ষানীতির কিছু সুপারিশকে আপাতদৃষ্টিতে অসম্ভব গণ্য করে ইতোমধ্যে সরকারের সিদ্ধান্ত বদলে ফেলার নজিরও দেখেছে দেশবাসী। জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০-এ ‘ইন্ডাস্ট্রি-অ্যাকাডেমিয়া’ যোগসূত্রের মাধ্যমে উচ্চশিক্ষাকে অর্থবহ করা এবং বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষাকে ‘অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত’ বর্ধিত করার প্রস্তাব থাকলেও কোনোটিই আলোর মুখ দেখেনি। ২০১৮ সালের মধ্যে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিতের লক্ষ্য থাকলেও ২০২৫…

Read More