ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কারাগার থেকে জামিনপ্রাপ্ত এক আসামির নাম ও ঠিকানা ব্যবহার করে কৌশলে পালিয়ে গেছেন হত্যা মামলার আসামি হৃদয় (২৮)। গত বৃহস্পতিবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটলেও শনিবার সন্ধ্যায় বিষয়টি জানাজানি হয়।
ঘটনার পর চট্টগ্রাম বিভাগের কারা উপ-মহাপরিদর্শক মো. ছগির মিয়াকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অপর দুই সদস্য হলেন–চাঁদপুর জেলা কারাগারের জেল সুপার ও ফেনী জেলা কারাগারের জেল সুপার।
কারাগার সূত্রে জানা যায়, কসবা থানার একটি হত্যা মামলায় গত বছরের ৭ ডিসেম্বর হৃদয়কে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। তবে গত বৃহস্পতিবার দুপুরে নবীনগর থানার একটি মামলার আসামি দিদার হোসেন জামিনে মুক্তি পান। ওই সময় দিদার হোসেনের নাম ও ঠিকানা ব্যবহার করে হৃদয় নিজেকে জামিনপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে পরিচয় দেন এবং অন্য বন্দিদের সঙ্গে মুক্তি পেয়ে কৌশলে পালিয়ে যান।
এ ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে কারাগারের ছয় কর্মকর্তা-কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত করে কারা কতৃপক্ষ।
চট্টগ্রাম বিভাগের কারা উপ-মহাপরিদর্শক মো. ছগির মিয়া জানান, অন্য এক আসামির জামিনের কাগজ ব্যবহার করে হৃদয় নামের এক আসামি কারাগার থেকে পালিয়ে গেছে। এ ঘটনায় সদর থানায় পাঁচ হাজতি ও দুই কয়েদির বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।
দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে ছয়জন কারারক্ষীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।


