সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের ১ হাজার পরিবারের মধ্যে জরুরি ত্রাণ সহায়তা বিতরণ করেছে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)।
ত্রাণ কার্যক্রমের আওতায় চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার ৫০০ পরিবারের মধ্যে ৫০০টি ত্রিপল এবং কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার ৫০০ পরিবারের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী ও ত্রিপল বিতরণ করা হয়েছে।
স্থানীয় প্রশাসনের সমন্বয়ে পরিচালিত এ কার্যক্রমের লক্ষ্য ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর তাৎক্ষণিক খাদ্য ও আশ্রয়ের চাহিদা পূরণে সহায়তা করা।
আইওএম জানিয়েছে, পেকুয়ার প্রতিটি পরিবারের জন্য দেওয়া ত্রাণ প্যাকেজে রয়েছে ১০ কেজি চাল, ২ কেজি মসুর ডাল, ১ কেজি লবণ, ১ লিটার সয়াবিন তেল এবং একটি ত্রিপল।
আইওএম বাংলাদেশের চিফ অব মিশন লরা টম বনদ বলেন, সাম্প্রতিক বন্যায় অনেক পরিবার ঘরবাড়ি, সম্পদ ও জীবিকার উৎস হারিয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কাছে দ্রুত জরুরি সহায়তা পৌঁছে দিয়ে তাদের তাৎক্ষণিক প্রয়োজন মেটানো এবং পুনরুদ্ধারে সহায়তা করা আমাদের অগ্রাধিকার।
তিনি বলেন, জলবায়ুজনিত দুর্যোগের মাত্রা বাড়তে থাকায় বাংলাদেশ সরকার ও অংশীদারদের সঙ্গে দুর্যোগ মোকাবিলা সক্ষমতা এবং জনগণের সহনশীলতা বাড়াতে আইওএম কাজ করছে।
আইওএমের তথ্য অনুযায়ী, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম দুর্যোগপ্রবণ দেশ। সংস্থাটির ২০২৫ সালের হিসাব অনুযায়ী, দুর্যোগের কারণে দেশে প্রায় ৪৯ লাখ ৬০ হাজার মানুষ অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।
আইওএম জানায়, বর্ষা মৌসুমে বাস্তুচ্যুতি প্রতিরোধ, ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সুরক্ষা এবং টেকসই সমাধান নিশ্চিত করতে তারা সরকার, স্থানীয় প্রশাসন ও মানবিক অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করছে। পাশাপাশি দুর্যোগ-সহনশীল আবাসন, আশ্রয়কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা, জীবিকা পুনরুদ্ধার, দুর্যোগজনিত বাস্তুচ্যুতি ব্যবস্থাপনা এবং জলবায়ু অভিযোজন কার্যক্রমও পরিচালনা করছে।


