জকসু নির্বাচন স্থগিত

জকসু নির্বাচন স্থগিত
জকসু নির্বাচন স্থগিতের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ভিসির অফিসের সামনে আন্দোলন করছে শিক্ষার্থীরা। ছবি: শামীম-উস-সালেহীন/টাইমস
Advertisement
Advertisement

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে। মঙ্গলবার খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর জরুরি সিন্ডিকেট সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট মেম্বার ও শিক্ষক সমিতির সভাপতি, ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন টাইমস অব বাংলাদেশকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন পরবর্তীতে নির্বাচনের সময়সূচি জানিয়ে দেবে।’

এদিকে এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ভিসির অফিসের সামনে আন্দোলন করেন শিক্ষার্থীরা। সেখানে উপাচার্যকে অবরুদ্ধ অবস্থায় রাখেন তারা।

পরে ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের সামনে জড়ো হয়ে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক মো. রইছ উদ্দীনকে অবরুদ্ধ করে।

এসময় তারা ‘রইছ না জকসু, জকসু জকসু’, সিন্ডিকেট না জকসু, জকসু জকসু’, সিন্ডিকেটের দালালেরা, হুশিয়ার সাবধান’, ‘আজকেই হতে হবে, জকসু জকসু’ ইত্যাদি স্লোগান দিতে থাকেন।

আরও পড়ুন

এসময় উপস্থিত বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী সিয়াম হোসেন বলেন, ‘বিএনপি পন্থী শিক্ষক রইছ উদ্দীন অঘোষিতভাবে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় চালাচ্ছে। তার সিদ্ধান্তের বাইরে বিশ্ববিদ্যালয়ে কিছুই হয় না। আমরা জানতে পেরেছি আজকের জকসু নির্বাচন স্থগিতের পেছনে তার ভূমিকা রয়েছে। তাই আমরা বিক্ষোভ করছি।’

আরেক শিক্ষার্থী সালেহীন মুসা বলেন, ‘এই নির্বাচন কমিশনারও বিএনপির। সকাল থেকে তিনি টালবাহান শুরু করেছে। আমরা এই প্রহসন মানি না।’

এদিকে জকসু নির্বাচন বন্ধ হওয়াতে ভিসি ভবনের সামনে বিক্ষোভ মিছিল করছে শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। তারা স্লোগান দিচ্ছে জকসু না ভিসি, জকসু জকসু, জকসু নির্বাচন বানচাল মানি না মানবো না।

অবরুদ্ধ শিক্ষক রইছ উদ্দীন বলেন, ‘এটা খুবই দুঃখ জনক। রাত দিন বিশ্ববিদ্যালয়কে সময় দিচ্ছি। তার প্রতিদান এই। এটা অনাকাঙ্ক্ষিত। প্রতিবাদ জানানোর ভাষা নাই আমার।’

এর আগে, নির্বাচন স্থগিতের গুঞ্জনে উত্তাল হয়ে ওঠে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। প্রার্থী ও শিক্ষার্থীরা উপাচার্য ভবনের মূল ফটক অবরোধ করে কোনোভাবেই নির্বাচন বন্ধ না করার দাবি জানান।

তফসিল অনুযায়ী, মঙ্গলবার নির্বাচনের তারিখ নির্ধারিত ছিল। এদিন সকাল সাড়ে ৮টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার কথা থাকলেও তা আর শুরু হয়নি।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর