সিলেট টেস্টের প্রথম দিনের দ্বিতীয় সেশন শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৬ উইকেটে ১৬৮ রান। পাকিস্তানের বিপক্ষে টসে হেরে দিনের প্রথম সেশনে ব্যাট করতে নেমে ১০১ রান তুললেও ২৬ ওভারে ৩ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। লাঞ্চ ব্রেক থেকে ফিরে অবস্থা হয় আরো শোচনীয়।
দুই পাকিস্তানি পেসার মোহাম্মদ আব্বাস ও খুররম শেহজাদের তোপে ১১৬ রানেই পড়ে প্রথম ৬ উইকেট। এরপর লিটন দাস ও তাইজুলের জুটিতে ৬ উইকেটে ১৬৮ রানে চা-বিরতিতে গেছে বাংলাদশ।
টপ আর মিডল অর্ডারের ধসের দিনে সপ্তম উইকেটে জুটিতে ৯৫ বলে ৫২* রানের তুলেছেন দুজন। টেইলএন্ডার হয়েও ৩১ বল খেলেছেন তাইজুল, ৩ চারে ৭৭ বলে ৪২ রানে অপরাজিত আছেন লিটন।
এর আগে ইনিংসের প্রথম ওভারের দ্বিতীয় বলেই স্লিপে খোঁচা মেরে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয়। মিরপুর টেস্টেও একইভাবেই দুই ইনিংসে উইকেট দিয়েছেন তিনি। অভিষিক্ত ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম ৩ চারে ৩৪ বলে করেছেন ২৬ রান। যদিও মাঝে হাসান আলীর বলে ফিরতি ক্যাচ দিয়ে জীবন পেয়েছেন, তবে সেটা কাজে লাগাতে পারেননি। মোহাম্মদ আব্বাসের বলে ফিরতি ক্যাচ দিয়েছেন এই বাঁহাতি ওপেনার। লাঞ্চ ব্রেকের পর আব্বাস তার তৃতীয় শিকার বানিয়েছেন আগের টেস্টের সেরা ক্রিকেটার নাজমুল হোসেন শান্তকে। ৭৪ বলে ২৯ রান করে এলবিডব্লিউ হয়েছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক।
৪১ বলে ২২ রান করে তিনে নামা মুমিনুল হক বোল্ড হয়েছেন শেহজাদের দারুণ এক ইনসুইংগারে। মুশফিকুর রহিমের উইকেটও পেয়েছেন এই ডানহাতি পেসার। ৩৭তম ওভারের তৃতীয় বল তার পায়ে লাগার পর জোরালো আবেদনের মুখে আউট দেন আম্পায়ার রিচার্ড কেটেলবোরো। কিন্তু বল লেগ স্টাম্প লাইন মিস করছে মনে করায় রিভিউ নেন মুশফিক। সেখানেও দেখা যায়, বল লেগ স্টাম্পের বাইর দিয়েই যেত। কিন্তু আম্পায়ার্স কলের কারণে আউটের সিদ্ধান্ত বহাল থাকে। যদিও রিভিউ নষ্ট হয়নি বাংলাদেশের।
দলীয় ১১৬ রানের সময় শেহজাদের শর্ট লেংথের বল পুল করেন মেহেদী হাসান মিরাজ। ৬ বলে ৪ রান করে ডিপ ফাইন লেগে থাকা একমাত্র ফিল্ডার হাসান আলীর হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন এই ডানহাতি ব্যাটার।


