‘নেক্সট টিভি’ ও ‘লাইভ টিভি’ নামে নতুন দুই বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের লাইসেন্স অনুমোদন দিয়েছে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়।
মন্ত্রণালয় জানায়, ‘নেক্সট টিভির’ লাইসেন্স পেয়েছেন মোহাম্মদ আরিফুর রহমান তুহিন এবং ‘লাইভ টিভির’ লাইসেন্স পেয়েছেন আরিফুর রহমান নামে এক ব্যক্তি। এ বিষয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এখনও চূড়ান্ত নীতিমালা প্রণয়নের প্রক্রিয়ায় রয়েছে।
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিয়ম অনুযায়ী, যেকোনো বাংলাদেশি নাগরিক বেসরকারি স্যাটেলাইট টিভি চ্যানেলের জন্য আবেদন করতে পারেন। আবেদনপত্রে জাতীয় পরিচয়পত্র, প্রতিষ্ঠানের গঠনতন্ত্র, ইনকরপোরেশন সনদ, ট্রেড লাইসেন্স, আয়কর সনদ, ব্যাংক সলভেন্সি সনদ, প্রকল্প প্রস্তাব এবং ৩০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে পরিচালনার অঙ্গীকারনামা জমা দিতে হয়।
এরপর আবেদন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে যাচাই-বাছাই করা হয়। লাইসেন্স অনুমোদনের পর বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) থেকে ফ্রিকোয়েন্সি ক্লিয়ারেন্স নিতে হয়।
এর আগে, বিগত ১৫ বছরের মধ্যে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে মোট ২৮টি বেসরকারি টিভিকে লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে। অধিকাংশ লাইসেন্সপ্রাপ্ত চ্যানেলের মালিকরা সরকারঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী, সাংবাদিক ও রাজনীতিবিদ।
বর্তমানে দেশে অনুমোদিত ৫০টি বেসরকারি টিভি চ্যানেলের মধ্যে পূর্ণ সম্প্রচারে রয়েছে ৩৬টি। বাকি ১৪টি সম্প্রচারের অপেক্ষায় আছে। এছাড়া আইপি টিভি (ইন্টারনেট প্রটোকল টেলিভিশন) রয়েছে ১৫টি। আরও কিছু চ্যানেলের আবেদন অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে।
১৯৯৮ সালে বাংলাদেশে বেসরকারি টিভি চ্যানেল অনুমোদনের নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়। এর আগে ১৯৯৬-২০০১ সালে আওয়ামী লীগ সরকার তিনটি চ্যানেল অনুমোদন দেয়। বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময় ১০টি চ্যানেল লাইসেন্স পায়। এছাড়া ২০০৯ সালে আবারও ১০টি, ২০১০ সালে দুটি, ২০১১ সালে তিনটি এবং ২০১৩ সালে ১৫টি চ্যানেল লাইসেন্স পায়।


