বছর ঘুরছে, দুয়ারে কড়া নাড়ছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) আরো একটি টুর্নামেন্ট। আগামী ২৬ ডিসেম্বর সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে পর্দা উঠছে টুর্নামেন্টের দ্বাদশ আসরের। কিন্তু অন্য বছরের মতো বিপিএল ঘিরে ব্যস্ততা নেই টুর্নামেন্টের সফলতম কোচ মোহাম্মদ সালাহউদ্দিনের। ২০২৪ সালের নভেম্বরে জাতীয় দলের সিনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট কোচ হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার পরই অবশ্য তার বিপিএলের পাট চুকে গেছে।
তবে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সকে হ্যাটট্রিক-সহ টানা চার শিরোপা জেতানো এই কোচ বলেছেন, বিপিএল তিনি মিস করেন না। শনিবার মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের নিয়ে বিশেষ ব্যাটিং ক্যাম্প শেষে সংবাদমাধ্যমের সাথে আলাপকালে বিপিএলের কোচিং নিয়ে প্রশ্নে সালাহউদ্দিন বলেন, ‘আমি নরমালি কোনো কিছু মিস করি না।
আসন্ন বিপিএলে কাজ না করলেও ক্রিকেটারদের ওপর আলাদা করে নজর রাখবেন বলে জানিয়েছেন সালাহউদ্দিন। আগামী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে প্রস্তুতি হিসেবে আপাতত বিপিএলই আছে জাতীয় দলে থাকা ক্রিকেটারদের সামনে।
এই প্রসঙ্গে সিনিয়র কোচ সালাহউদ্দিন বলেন, ‘সব দিকেই নজর রাখা হবে কারণ ক্রিকেটারদের মানসিকতা কী রকম আছে, তাদের ফিজিক্যাল স্টেটটা কী রকম আছে, তারা টেকনিক্যালি কেমন করছে সবকিছুই তাদের নজর রাখতে হবে।’
জাতীয় দলে থাকা ক্রিকেটাররা যেন বিপিএলে নিজ নিজ ফ্র্যাঞ্চাইজিতে যথাযথ সুযোগ পান, সেদিকেও তাদের নজর থাকবে বলে জানিয়েছেন সালাহউদ্দিন, ‘যদি দেখা যায় ন্যাশনাল টিমে একটা ট্রেনার যেভাবে ট্রেনিং করাচ্ছে হয়তো বিপিএল এসে সে ট্রেনিং সে পাচ্ছে না। বা ফিটনেস ডাউন হলে তো পরবর্তীতে তো আমাদেরই আবার এটা রিকভার করে তারপর আবার তাকে ফিট করে নিয়ে আসতে হবে। সো এই জিনিসগুলো পুরো লক্ষ্য রাখা হবে, তারা যেন প্রতিটা সেক্টরেই তারা যেন ওয়ার্ল্ড কাপের জন্য রেডি থাকে। কারণ খুব বেশি সময় থাকবে না।’
বিপিএলে ক্রিকেটারদের ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্ট নিয়েও ফ্র্যাঞ্চাইজিদের পরামর্শ দিয়েছেন সালাহউদ্দিন। এক্ষেত্রে বিসিবির চুক্তিভূক্ত ট্রেনারদের ওপরই ভরসা রাখতে চাচ্ছেন তিনি, ‘ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্টের জন্য আমাদের যেহেতু ট্রেনার আছে আমরা কিন্তু আমরা সবসময় খেয়াল রাখি। এর আগের বিপিএল এর সময় কিন্তু আমাদের ট্রেনার ইনভলভ ছিল, সে সবসময় মনিটর করছে কিভাবে ওয়ার্কলোডটা হচ্ছে। ছেলেরা এখন আগের থেকে অনেক ম্যাচিউর।’
জাতীয় দলের বর্তমান সেট আপে থাকা ক্রিকেটারদের খাদ্যাভ্যাস, ফিটনেসের প্রশংসাও ঝরেছে সালাহউদ্দিনের কন্ঠে। তিনি বলেন, ‘স্পেশালি আমি আমাদের সাথে যেসব ছেলেরা আছে তারা কিন্তু নিজেদের ওয়ার্কলোড বলেন, ফুড হ্যাবিট বলেন তারা কিন্তু অনেক আগের থেকে নিজেরা অনেক আপগ্রেড। সো আমার মনে হয় না খুব বেশি সমস্যা হবে এবং তারা নিজেরাও জানে আসলে তাদের জিমে কী করতে হবে।’


