বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে মুখোমুখি ফিফা র‍্যাংকিংয়ের শীর্ষ চার দল

বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে মুখোমুখি ফিফা র‍্যাংকিংয়ের শীর্ষ চার দল
২০২৫ সালের ২০ নভেম্বর সুইজারল্যান্ডের জুরিখের ‘হোম অব ফিফা’তে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ ইউরোপীয় প্লে-অব ড্র শেষে প্রদর্শনের জন্য রাখা ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফি। ছবি: এএফপি/বাসস
Advertisement
Advertisement

বিশ্বকাপে ১০০টি ম্যাচ শেষ। এখন বাকি মাত্র চারটি ম্যাচ। ৪৮ দলের আসর থেকে সেমিফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে বিশ্ব ফুটবলের চার পরাশক্তি, ফ্রান্স, আর্জেন্টিনা, স্পেন ও ইংল্যান্ড।

ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ফিফা র‍্যাংকিংয়ের শীর্ষ চার দল বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠেছে। সর্বশেষ ফিফা র‍্যাংকিং অনুযায়ী, ফ্রান্স আছে এক নম্বরে, আর্জেন্টিনা দুইয়ে, স্পেন তিনে এবং ইংল্যান্ড চারে। চার দলের মোট বিশ্বকাপ শিরোপা সাতটি। এর মধ্যে আর্জেন্টিনা জিতেছে তিনবার, ফ্রান্স দুবার এবং স্পেন ও ইংল্যান্ড একবার করে।

প্রথম সেমিফাইনালে মুখোমুখি হবে ইউরোপের দুই দল ফ্রান্স ও স্পেন। ম্যাচটি দুই ভিন্ন ফুটবল দর্শনের লড়াই হিসেবেও দেখা হচ্ছে। একদিকে ফ্রান্সের গতি ও শারীরিক শক্তি, অন্যদিকে স্পেনের বল দখলভিত্তিক টিকিটাকা ফুটবল।

বিশ্বকাপে দুই দলের সর্বশেষ দেখা হয়েছিল ২০০৬ সালে শেষ ১৬-এ। সেই ম্যাচে স্পেনকে ৩-১ গোলে হারিয়েছিল ফ্রান্স। এরপর বিশ্বকাপে আর মুখোমুখি হয়নি তারা।

চলতি বিশ্বকাপে ফ্রান্স এখন পর্যন্ত ১৬ গোল করেছে। কিলিয়ান এমবাপ্পে, ওসমানে দেম্বেলে, মাইকেল ওলিসে ও ব্র্যাডলি বারকোলাদের নিয়ে গড়া আক্রমণভাগকে অনেক ফুটবল বিশ্লেষক শক্তিশালী মনে করছেন। সেমিফাইনালে ওঠার পথে ফ্রান্স শেষ ৩২-এ সুইডেন, শেষ ১৬-তে প্যারাগুয়ে এবং কোয়ার্টার ফাইনালে মরক্কোকে হারিয়েছে।

আরও পড়ুন

অন্যদিকে, ২০১০ সালের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন প্রথম ম্যাচে কেপ ভার্দের সঙ্গে ড্র করলেও পরে ছন্দে ফেরে। লামিন ইয়ামালের পাশাপাশি মিকেল মেরিনো ও ফাবিয়ান রুইজের পারফরম্যান্সে ভর করে শেষ চারে উঠেছে দলটি। সেমিফাইনালের পথে তারা শেষ ৩২-এ অস্ট্রিয়া, শেষ ১৬-তে পর্তুগাল এবং কোয়ার্টার ফাইনালে বেলজিয়ামকে হারিয়েছে।

দ্বিতীয় সেমিফাইনালে মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড। দুই দলের এই লড়াই বিশ্বকাপ ইতিহাসের অন্যতম আলোচিত প্রতিদ্বন্দ্বিতা। ১৯৬৬ সালের বিশ্বকাপের বিতর্ক, ১৯৮৬ সালে ডিয়েগো ম্যারাডোনার ‘হ্যান্ড অব গড’ ও ‘গোল অব দ্য সেঞ্চুরি’ এবং ১৯৯৮ বিশ্বকাপে ডেভিড বেকহ্যামের লাল কার্ড এই প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে আরও স্মরণীয় করে তুলেছে।

ম্যাচটি নিয়ে আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনি বলেন, ‘যদিও এটি একটি ফুটবল ম্যাচ, তবু ইতিহাসকে আলাদা করা যায় না।’

শিরোপা ধরে রাখার মিশনে আর্জেন্টিনা এখন পর্যন্ত অপরাজিত থাকলেও নকআউট পর্বে প্রতিটি ম্যাচেই কঠিন পরীক্ষা দিতে হয়েছে। শেষ ৩২-এ অতিরিক্ত সময়ে কেপ ভার্দেকে ৩-২ গোলে হারায় তারা। শেষ ১৬-তে মিসরের বিপক্ষে ২-০ গোলে পিছিয়ে থেকেও ৩-২ ব্যবধানে জয় পায়। কোয়ার্টার ফাইনালে অতিরিক্ত সময়ের দুটি গোলে ৩-১ ব্যবধানে জয় তুলে নেয় বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।

অন্যদিকে, ৬০ বছরের শিরোপা খরা কাটানোর লক্ষ্য নিয়ে খেলছে ইংল্যান্ড। সেমিফাইনালে ওঠার পথে তারা ডিআর কঙ্গো, মেক্সিকো এবং কোয়ার্টার ফাইনালে নরওয়েকে ২-১ গোলে হারিয়েছে।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad