ইকোনমিক জোনের ডোমেস্টিক প্রসেসিং এরিয়ায় (ডিপিএ) পরিচালিত প্রতিষ্ঠানগুলোর বিদেশে রয়্যালটি, প্রযুক্তি হস্তান্তর (টেকনিক্যাল নো-হাউ) এবং কারিগরি সহায়তা ফি পাঠানোর ক্ষেত্রে বিদ্যমান অর্থসীমা শিথিল করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
এর ফলে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) পূর্বানুমোদন সাপেক্ষে প্রতিষ্ঠানগুলো আগের নির্ধারিত সীমার চেয়ে বেশি অর্থ বিদেশে পাঠাতে পারবে।
সোমবার জারি করা এক সার্কুলারে বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, ডিপিএভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলো রয়্যালটি, টেকনিক্যাল নো-হাউ এবং টেকনিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্স ফি বাবদ নির্ধারিত সীমার অতিরিক্ত অর্থ বিদেশে পাঠাতে পারবে, যদি তার আগে বেজার অনুমোদন নেওয়া হয়।
এ ছাড়া এ ধরনের অন্যান্য বৈধ ব্যয়ের ক্ষেত্রেও অর্থের পরিমাণ যাই হোক না কেন, বিদেশে অর্থ পাঠানোর আগে বেজার অনুমোদন নিতে হবে।
এর আগে ২০২৫ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর জারি করা বৈদেশিক মুদ্রানীতি সার্কুলারে এসব খাতে বিদেশে অর্থ পাঠানোর জন্য নির্দিষ্ট সীমা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছিল। নতুন সার্কুলারের মাধ্যমে সেই সীমার বাইরে অর্থ পাঠানোর সুযোগ তৈরি হলো।
খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই সিদ্ধান্তে ইকোনমিক জোনে পরিচালিত দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোর বিদেশি প্রযুক্তি, ব্র্যান্ড, লাইসেন্স এবং কারিগরি সহায়তার বিপরীতে অর্থ পরিশোধে আরও নমনীয়তা আসবে। বিশেষ করে বিদেশি সহযোগী প্রতিষ্ঠানের কাছে নিয়মিত রয়্যালটি বা প্রযুক্তি ফি পরিশোধকারী কোম্পানিগুলো এতে উপকৃত হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, এ বিষয়ে পূর্বে জারি করা সার্কুলারের অন্যান্য নির্দেশনা অপরিবর্তিত থাকবে।


