তিন দফায় পেছানোর পর রবিবার শুরু হচ্ছে ঢাকা প্রথম বিভাগ ক্রিকেট লিগ। এর নেপথ্যে আছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সর্বশেষ পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচনে অস্বচ্ছতার অভিযোগ এনে ঢাকার সব ধরনের লিগ বয়কট করা ক্লাবগুলো। যে কারণে প্রথম বিভাগ ক্রিকেট লিগ শুরু হচ্ছে ২০ ক্লাবের বদলে ১২ ক্লাব নিয়ে। আর এতে করের টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই দেখা দিয়েছে মাঝপথে বাতিলের শংকা।
যদিও বিদ্রোহী সূর্যতরুণ, ওরিয়েন্ট, আম্বার স্পোর্টিং, পারটেক্স স্পোর্টিং, কাকরাইল বয়েজ, খেলাঘর, কলাবাগান ও গাজী টায়ার্স ক্লাবকে রেখেই সাজানো হয়েছে সূচি। কিন্তু প্রথম রাউন্ডে বিদ্রোহী ক্লাবগুলো অংশ না নিলে টুর্নামেন্ট কীভাবে প্রগ্রেস করবে, সেসব নিয়েই উঠছে প্রশ্ন। অবশ্য এই অনিশ্চয়তার মধ্যেই শনিবার মিরপুর জাতীয় ক্রিকেট একাডেমির সামনে ১২ ক্লাবের অধিনায়ক নিয়ে হয়েছে ফটোসেশন।
একইদিনে মিরপুর স্টেডিয়ামের সামনে আনুমানিক ৫০ থেকে ৬০ জন ক্রিকেটার একত্রিত হন নিজেদের ৪ দফা দাবি নিয়ে। এর মধ্যে প্রধানতম ছিল ঢাকার প্রথম বিভাগ ক্রিকেট লিগকে পূর্ণ ২০ দল নিয়ে শুরু করা। নিজেদের দাবিগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে তারা বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দিন চৌধুরী সুজনের কাছে জমাও দিয়েছেন। বিসিবিও মিডিয়া বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সেই প্রাপ্তি স্বীকার করেছে।
এর আগে রাজধানী একটি পাঁচ তারকা হোটেলে প্রথম বিভাগ ক্রিকেট লিগের ক্রিকেটার ও কর্মকর্তাদের সাথে একটি চা-চক্রের আয়োজন করেন বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম। সেখানেই তিনি জানান, লিগ বয়কট করা ক্লাবগুলোর জন্য থাকবে বিকল্প ব্যবস্থা। কিন্তু কী সেই বিকল্প, সেটা এখনো জানেন না খোদ ক্রিকেটাররাই।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক প্রথম বিভাগ ক্রিকেটার টাইমস অফ বাংলাদেশকে বলেন, ‘বোর্ড কী ব্যবস্থা করছে, আমাদের জানা নেই। যদি আলাদা কোনো লিগ আয়োজন করে, পরের মৌসুমে ক্লাবের কর্মকর্তারা কীভাবে সেসব নেবে এর ওপরও অনেক কিছু নির্ভর করছে।’
বিসিবির একাধিক সূত্রে জানা গেছে, ক্লাবগুলোকে রাজি করাতে শেষ পর্যন্ত চেষ্টা করছে বিসিবি। কিন্তু এর মধ্যে সব ক্লাবের অংশগ্রহণ নিশ্চিত না হলে মাঝপথেই বন্ধ হতে পারে লিগ। জানা গেছে, বিদ্রোহী ক্লাবগুলো রাজি না হলে প্রথম রাউন্ড শেষেই বাতিলের ঘোষণা আসতে পারে।


