নড়াইলে কমিউনিটি ক্লিনিকের সেপটিক ট্যাংক থেকে আলপনা (৩৫) নামে এক গৃহবধূর গলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
নিখোঁজের এক মাস আট দিন পর মঙ্গলবার রাতে কালিয়া উপজেলার শুক্তগ্রামের বাবরা-হাচলা ইউনিয়ন কমিউনিটি ক্লিনিকের একটি সেপটিক ট্যাংক থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
ঘটনায় জড়িত সন্দেহে আলপনার স্বামী আল-আমীন মন্ডল ওরফে ইরানুরকে আটক করেছে পুলিশ। কালিয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইদ্রিস আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, নিহত সুমি ওরফে আলপনা গত ১৯ ডিসেম্বর রাত আনুমানিক ১০টার পর শ্বশুরবাড়ি থেকে নিখোঁজ হন। এরপর স্বজনরা সম্ভাব্য বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। এ ঘটনার পরদিন নিখোঁজ গৃহবধূর ভাই মো. সাকিব মোল্যা (১৯) কালিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।
পুলিশ এ ঘটনা তদন্তে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে আলপনার নিখোঁজ হওয়ার পেছনে তার স্বামী আল আমীনের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পান। পরে মঙ্গলবার বিকালে কালিয়া থানা পুলিশ নিহতের স্বামীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেয়। এ সময় তিনি তার স্ত্রীকে হত্যার পর মরদেহ গুম করার উদ্দেশে বাড়ির পাশের কমিউনিটি ক্লিনিকের সেপটিক ট্যাংকে লুকিয়ে রাখার কথা স্বীকার করেন। ওইদিন রাতেই পুলিশ আলপনার গলিত মরদেহ উদ্ধার করে।
কালিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার রবিন হালদার বলেন, নিখোঁজের জিডি হওয়ার পর পুলিশ ছায়া তদন্ত শুরু করে। এরপর নিহতের স্বামীকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের পর তার দেওয়া স্বীকারোক্তি অনুযায়ী মরদেহটি উদ্ধার করা হয়েছে।


