চট্টগ্রামের চকবাজারে ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ‘ডিডিএন’-এর কার্যালয়ে ভাঙচুর ও ৩৫ লাখ টাকা লুটের ঘটনায় আটজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বুধবার চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম) মুহাম্মদ ফয়সাল আহম্মেদ এ তথ্য জানান। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেপ্তাররা হলেন, মো. ইউনুস, ইমরান হোসেন চ্যাং, আকবর হোসেন, মো. নয়ন, মো. সুমন, মো. মনির, মো. গিয়াস উদ্দিন ও মো. আবদুল নাহিদ। তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। পুলিশ স্থানীয় উৎস ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাদের শনাক্ত করেছে।
ডিডিএনর মালিক আদিল বিন মামুনকে ১১ জুলাই হোয়াটসঅ্যাপে কল করে দুই কোটি টাকা এককালীন ও প্রতি মাসে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। নিজেকে ‘ডেভিড ইমন’ পরিচয় দেওয়া ব্যক্তি এই চাঁদা দাবি করেন। টাকা দিতে অস্বীকার করায় ১৩ জুলাই দুপুরে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা অফিসে ভাঙচুর চালিয়ে ১৫ লাখ টাকার ক্ষতি করে। এসময় তারা কর্মচারীদের বেতনের ৩৫ লাখ টাকা লুট করে। এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার শামশুদোহা মিনহাজ অজ্ঞাতপরিচয় ৩০-৪০ জনকে আসামি করে মামলা করেছেন।
ফয়সাল আহম্মেদ জানান, মামলার এজাহারে ডেভিড ইমনের নাম নেই। অডিওতে থাকা মোবাইল নম্বর বা ডেভিড ইমনের অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘যেকোনো হুমকি আগে জানালে পুলিশ ব্যবস্থা নেবে। ব্যবসায়ীদের ওপর হুমকির ঘটনাগুলো গভীরভাবে তদন্ত হচ্ছে।’
এদিকে পলাতক সন্ত্রাসী ডেভিড ইমন এক অডিও বার্তায় হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি দাবি করেন, ‘হামলা বা ভাঙচুরের প্রশ্নই ওঠে না। আমার উদ্দেশ্য থাকলে ভাঙচুর করতাম না, সরাসরি গুলি করতাম। কারো কাছে চাঁদাও দাবি করিনি।’


