জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জাকসু) সহসভাপতি (ভিপি) পদে প্রার্থী অমর্ত্য রায়কে নির্বাচনে অংশ নিতে দিতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
মঙ্গলবার বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি বিশ্বজিৎ দেবনাথের বেঞ্চ এই আদেশ দেন। এর আগে, সোমবার পদে প্রার্থিতা বাতিল হওয়ায় অমর্ত্য রায় হাইকোর্টে রিট করেন।
প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের এই শিক্ষার্থী দাবি করেন, তাকে অন্যায়ভাবে প্রার্থী তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। প্রার্থিতা ফিরিয়ে দেওয়ার দাবিতে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, রেজিস্ট্রার ও জাকসু নির্বাচনের প্রধান কমিশনারকে লিগ্যাল নোটিশও পাঠিয়েছিলেন।
আগামী ১১ সেপ্টেম্বর জাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। প্রগতিশীল শিক্ষার্থীদের প্যানেল ‘সম্প্রীতির ঐক্য’ থেকে ভিপি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন অমর্ত্য রায়। তবে গত ৬ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জাকসুর গঠনতন্ত্রের ৪ ও ৮ ধারার শর্ত অনুযায়ী তিনি ভোটার ও প্রার্থী হওয়ার অযোগ্য। তাই তার নাম ভোটার ও প্রার্থী তালিকা থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
গত ২৯ আগস্ট ‘সম্প্রীতির ঐক্য’ প্যানেল তাদের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করে। এতে সাধারণ সম্পাদক পদে নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের শরণ এহসান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (পুরুষ) পদে নৃবিজ্ঞান বিভাগের নুর এ তামীম স্রোত এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (নারী) পদে ফারিয়া জামান নিকি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
এই প্যানেলে ছাত্র ইউনিয়নের একটি অংশ ছাড়াও জাহাঙ্গীরনগর সাংস্কৃতিক জোট, জাহাঙ্গীরনগর ইউনিভার্সিটি ডিবেট অর্গানাইজেশন, ইন্ডিজেনাস স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশন, গণকৃষ্টি, চলচ্চিত্র আন্দোলন, জহির রায়হান চলচ্চিত্র সংসদ, জাহাঙ্গীরনগর ফটোগ্রাফি সোসাইটি, জাহাঙ্গীরনগর থিয়েটার অডিটোরিয়াম ও জলসিঁড়ি সংগঠন যুক্ত রয়েছে।


