চুয়াডাঙ্গায় স্থানীয় জামায়াত ও বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় হাফিজুর রহমান (৪৫) নামে একজন নিহত হয়েছেন। জীবননগর উপজেলার হাসাদাহ মডেল কামিল মাদ্রাসার সামনে শনিবার ইফতারের পরে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় দুই দলের আরও চারজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
নিহত হাফিজুর রহমান স্থানীয় জামায়াত নেতা ও জীবননগরের সুটিয়া গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। এ ঘটনায় তার ভাই মফিজুর রহমান (৪০) আহত হন। আহত অন্যরা হলেন-একই গ্রামের মৃত গোপাল মণ্ডলের ছেলে খায়রুল ইসলাম (৫০) এবং মেহেদী হাসান ও তার বাবা জসিম উদ্দীন।
জানা গেছে, সংঘর্ষের পর গুরুতর আহতদের জীবননগর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে হাফিজুরের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য যশোর সদর হাসপাতালে পাঠান। কিন্তু হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
স্থানীয়রা জানান, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে ইফতারের পরই হাসাদাহ বাজার এলাকায় জামায়াত-বিএনপি মুখোমুখি অবস্থান নেয়। এক পর্যায়ে উভয় পক্ষের নেতাকর্মীরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। খবর পেয়ে জীবননগর থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোলাইমান শেখ বলেন, হাসাদহে জামায়াত ও বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষের খবর পেয়ে সেখানে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
সেখানকার পরিস্থিতি বর্তমানে অনেকটাই শান্ত রয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশের এই কর্মকর্তা।


