সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার প্রথম এক মাসের মধ্যে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালকদের নিয়ে তিনটি বোর্ড সভা করেছেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল। তৃতীয় সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে বিসিবি সভাপতি জানান, হাই পারফরম্যান্স ফর অল প্রোগ্রামের অধীনে বিসিবি অ্যাওয়ার্ড নাইট চালু করবেন তারা। বুধবার বিসিবির এক কর্মকর্তার সূত্রে টাইমস অফ বাংলাদেশ জানতে পেরেছে, আসন্ন সেপ্টেম্বরে আয়োজিত হতে যাচ্ছে বিসিবি অ্যাওয়ার্ড নাইট।
সর্বশেষ ২০০৬ সালে অ্যাওয়ার্ড নাইট আয়োজন করেছিল বিসিবি। এরপর নানান কারণে সেটা আর চালিয়ে যেতে পারেনি বোর্ড। অবশেষে দীর্ঘ ১৯ বছর পর বিসিবির নতুন পরিচালনা পর্ষদের নেতৃত্বে আবারও দেখা যাবে এই পুরস্কার বিতরণী। অবশ্য জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের ব্যস্ততা এখানে আলোচ্য বিষয়। আগামী ৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জাতীয় দল ব্যস্ত থাকবে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে। এর দুই দিন পরই সংযুক্ত আরব আমিরাতে যাবে এশিয়া কাপ খেলতে।
সেই ব্যস্ততার কথা মাথায় রেখেই বিসিবি পরিকল্পনা করছে কীভাবে অ্যাওয়ার্ড নাইট আয়োজন করা যায়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিসিবির এক কর্মকর্তা টাইমস অফ বাংলাদেশকে বলেন, ‘অ্যাওয়ার্ড নাইটের জন্য আমরা ইতোমধ্যে প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছি। আশা করছি এশিয়া কাপের আগে আয়োজন করতে পারব। আমাদের ক্রিকেটার ও ক্রিকেট সংশ্লিষ্ট সকলের জন্যই দারুণ অনুপ্রেরণার হবে এই অ্যাওয়ার্ড নাইট।’
আপাতত আসন্ন সেপ্টেম্বরেই অ্যাওয়ার্ড নাইট আয়োজনের পরিকল্পনা বিসিবির। ইতোমধ্যে বিভিন্ন ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠানের সাথে আলোচনাও চলছে তাদের। আয়োজনে আগ্রহী প্রতিষ্ঠানগুলো বিসিবিতে প্রেজেন্টেশনও দিয়েছে। যদি কোনো কারণে আগামী সেপ্টেম্বরে এই আয়োজন না করা যায়, সেক্ষেত্রে পিছিয়ে যেতে পারে ডিসেম্বর পর্যন্ত।
এই প্রসঙ্গে বিসিবির সেই কর্মকর্তা আরো বলেন, ‘যদি কোনো কারণে সেপ্টেম্বরের শুরুর দিকে আমরা এটা আয়োজন না করতে পারি, তাহলে হয়তো বছরের শেষ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। তবে সেপ্টেম্বরে অ্যাওয়ার্ড নাইটের ব্যাপারে আমরা আশাবাদী।’
গত ৩০ জুন বিসিবির বোর্ড সভা শেষে সভাপতি বুলবুল বলেছিলেন, ‘হাই পারফরম্যান্স ফর অল প্রোগ্রামের অধীনে ক্রিকেটার ও ক্রিকেট সংশ্লিষ্ট যারা আছেন, তাদের মনোবল-আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধির জন্য ক্রিকেট অ্যাওয়ার্ড নাইট করব। সেটা এক বছরের জন্য না, চার-পাঁচ বছর চালিয়ে রাখার জন্য পরিকল্পনা করব।’


