স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, আগামী দু-চার দিনের মধ্যে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ই-গেট খুলে দেওয়া হবে। তিনি বলেন, ‘ই-গেট ইনস্টল হয়ে গেছে, হয়তো দু-চার দিনের মধ্যেই আমরা খুলে দেব।’
সোমবার বিকালে সচিবালয়ে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত কোর কমিটির সভা শেষে উপদেষ্টা এ কথা জানান।
তিনি বলেন, ‘আমরা খুবই তাড়াতাড়ি বিমানবন্দরে এই গেট খুলে দেব। পাসপোর্ট দেখিয়েই যেন যাত্রীরা ঢুকে যেতে পারেন। আর আমরা বলে দিয়েছি ই-পাসপোর্ট বা ইলেকট্রনিক পাসপোর্ট এই ডিসেম্বরের মধ্যে মোটামুটি বিদেশেরগুলো করে দেব।’
উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘কয়েক বছর আগে ই-গেট স্থাপনের সময় বিমানবন্দরের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, অল্প সময়ে কোনো ধরনের ঝামেলা ছাড়াই যাত্রী নিজে ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করতে পারবেন। অর্থাৎ, ই-পাসপোর্ট নিয়ে যখন ই-পাসপোর্টধারী একজন ব্যক্তি ই-গেটের কাছে যাবেন, তখন একটি নির্দিষ্ট স্থানে ই-পাসপোর্টটি রাখলে সঙ্গে সঙ্গে গেট খুলে যাবে। নির্দিষ্ট নিয়মে গেটের নিচে দাঁড়ানোর পর ক্যামেরা ছবি তুলে নেবে। এরপর সব ঠিকঠাক থাকলে কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই যাত্রী ইমিগ্রেশন পেরিয়ে যেতে পারবেন।’
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে থাকা প্রবাসীদের বাংলাদেশি পাসপোর্ট নিতে ফি কমানো হবে জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, ‘পাসপোর্ট নেওয়ার জন্য আপনারা যে টাকা দেন, আমরা যাদের রেমিট্যান্স যোদ্ধা (প্রবাসী শ্রমিক) বলি তাদের টাকা বেশি দিতে হয়। রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের কাছ থেকে আমরা বেশি টাকা নেবো না, টাকাটা সমান করে দেব।’
তিনি বলেন, ‘তাদের আমরা সব সময় রেমিট্যান্স যোদ্ধা বলি, কিন্তু রেমিট্যান্স যোদ্ধা হিসেবে যে সম্মানটা পাওয়া দরকার, অনেক সময় ওই সম্মানটা তারা পান না। অনেক জায়গায় সার্ভিসটা ভালোভাবে পাচ্ছে না।’
সব দেশেই প্রবাসীদের পাসপোর্টের ফি কমানো হবে জানিয়ে জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, ‘দেশতো একটা না, অনেকগুলো দেশ। এরপর কতটুকু কমাতে পারি আমরা দেখব।’
উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘এ ছাড়া প্রবাসীরা বিমানে যাতে সার্ভিসটা ভালো পায় এবং এয়ারপোর্টে আসার পরেও যাতে উন্নত সেবা পান- সেই বিষয়ে আমরা চেষ্টা করব।’


