রাবিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলায় বিজেআইএমের নিন্দা

রাবিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলায় বিজেআইএমের নিন্দা
ছবি: ফেসবুক থেকে নেওয়া
Advertisement
Advertisement

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) পেশাগত দায়িত্বপালনকালে সাংবাদিক ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে কর্মরত বাংলাদেশি সাংবাদিকদের সংগঠন বিজেআইএম।

সোমবার এক বিবৃতিতে এ নিন্দা জানায় সংগঠনটি।

রোববার রাতে সাংবাদিকদের ওপর ওই হামলার পেছনে ছাত্রদলের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নেতাকর্মীদের দায়ী করেছে ভুক্তভোগীরা। হামলায় অন্তত ১০ জন সাংবাদিক আহত হওয়ার খবরে পাওয়া গেছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন দৈনিক আগামীর সময়ের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি জাহিদুল ইসলাম, দ্য ডেইলি স্টারের প্রতিনিধি নূর আহসান মৃদুল, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের প্রতিনিধি আরিফ উজ্জামান কোরবান ও দৈনিক সমকালের প্রতিনিধি মাঈনুল ইসলাম রাজু।

বিজেআইএমের বিবৃতিতে বলা হয়, ঘটনাস্থলের ভিডিওচিত্র, সেখানে উপস্থিত সাংবাদিকদের বর্ণনা এবং ক্ষতিগ্রস্ত সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে দেখা গেছে, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হল শহীদ জিয়াউর রহমান হলের বাইরে সংবাদ সংগ্রহের সময় সাংবাদিকদের শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়।

বিজেআইএমের মতে, ঘটনাটি নিছক একটি ক্যাম্পাস সংঘর্ষ ছিল না। সাংবাদিকেরা তাদের পেশাগত দায়িত্ব পালন—ঘটনা পর্যবেক্ষণ, ধারণ ও জনস্বার্থে নথিবদ্ধ করার সময় হামলার শিকার হয়েছেন। সহিংসতার ঘটনা নথিবদ্ধ করার কারণে সাংবাদিকদের ওপর হামলা সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং জনগণের জানার অধিকারের ওপর আঘাত।

আরও পড়ুন

ঘটনার ভিডিও ধারণের চেষ্টা করা কিংবা হামলার শিকার সহকর্মীদের রক্ষা করতে এগিয়ে যাওয়া সাংবাদিকদেরও মারধর ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগে সংগঠনটি বিশেষভাবে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

বিজেআইএম বলেছে, সাংবাদিকদের মারধর করা, তাদের মুঠোফোন কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা কিংবা ভিডিও ধারণে বাধা দেওয়া বিচ্ছিন্ন কোনো সহিংস ঘটনা নয়। এগুলো প্রমাণ গোপন করা এবং জনগণ কী দেখতে পারবে, তা নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা।

বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধিরা অপরিহার্য হলেও একই সঙ্গে বিশেষভাবে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থানে রয়েছেন উল্লেখ করে বিজেআইএম জানিয়েছে, ক্যাম্পাসে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়লে, শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভে নামলে, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ উঠলে কিংবা রাজনৈতিক সংগঠনগুলো ক্যাম্পাসের ওপর জবরদস্তিমূলক প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করলে প্রায়ই তারাই সবার আগে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad