২০২৫ সালের চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে খেলেছেন ক্যারিয়ারের শেষ ওয়ানডে, টি-টোয়েন্টি ছেড়েছেন আগেই। মুশফিকুর রহিম খেলছেন এখন শুধু টেস্ট ফরম্যাটেই। তবুও দিন দুয়েক আগে গুঞ্জন ওঠে, মিডল অর্ডারের শূন্যতা ঘুচাতে অবসর ভেঙে মুশফিককে ওয়ানডে দলে ফেরাতে চান অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। বুধবার, কোচ ফিল সিমন্সকেও একই প্রশ্ন করা হয়েছিল, তিনি বলেছেন মুশফিক যেহেতু টেস্ট খেলছেন, তার সেই ফরম্যাট নিয়েই ভাবা উচিত।
বৃহস্পতিবার নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ওয়ানডে শুরুর আগের দিন সংবাদ সম্মেলনে আসেন মিরাজ। সেখানে তিনিও কথা বললেন একই সুরে। তার কাছে জানতে চাওয়া হয়, মুশফিককে দলে ফেরানোর জন্য নির্বাচক কিংবা টিম ম্যানেজমেন্টের কারো সাথে তিনি আলোচনা করেছেন কিনা?
মিরাজ জানান, ওয়ানডে দলের অধিনায়কত্ব বুঝে নেয়ার পর মুশফিককে দলে নেয়ার ব্যাপারে কথা বলেছিলেন টিম ম্যানেজমেন্টের সাথে। বাংলাদেশ অধিনায়ক বলেন, ‘আমি যখন অধিনায়ক হয়েছিলাম তখন কথা বলেছিলাম। যেহেতু তিনি টেস্ট ক্রিকেট খেলছেন আর অবসর নিয়েছেন, সেহেতু সিদ্ধান্ত আমার একার না। এখানে ক্রিকেট বোর্ডের সিদ্ধান্ত আছে। যদিও একটা সম্মিলিত আলোচনা ছিল। কিন্তু যেহেতু তিনি অবসর নিয়েছেন, আমার কাছে মনে হয় তার অবসরের সিদ্ধান্তকে অবশ্যই রেস্পেক্ট করা উচিত।’
শুধু মুশফিকই নয়, গেল ছয় মাসে বারবার শোনা গেছে সাকিব আল হাসানের জাতীয় দলে ফেরার গুঞ্জনও। কিন্তু সেসব থেকে গেছে আলোচনার টেবিলেই। রাজনৈতিক কারণে ও নিজের বিরুদ্ধে মামলা থাকায় সাকিবের দেশে ফেরাই যেখানে অনিশ্চিত, সেখানে জাতীয় দলে খেলার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে।
দুজনের ফেরার আলোচনায় মিরাজ আরো বলেন, ‘দেখেন অবশ্যই এই দুইজন কিংবদন্তি ক্রিকেটার এবং আমি তাদের সাথে অনেকদিন খেলেছি, দলে তাদের দুইজনকে পেয়েছি। তারা দুজনেই এখন খেলছেন। মুশফিক ভাইয়ের ব্যাপারে বললে, তার মতো একটা প্লেয়ার টিমে থাকলে অধিনায়কের কাজ অনেক সহজ হয়ে যায়। ফিটনেসের বিবেচনায় আমার কাছে মনে হয় তিনি আরও কিছুদিন খেলতে পারতেন। কিন্তু যেহেতু অবসর নিয়েছেন, অবশ্যই তার এই সিদ্ধান্তের প্রতি আমার সম্মান আছে।’


