চলতি ফিফা বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা বনাম ইংল্যান্ডের ম্যাচকে কেন্দ্র করে নোয়াখালীতে এক মজার ঘটনা ঘটেছে। রাত জেগে খেলা দেখার পর পরদিন সকালে স্কুলে পৌঁছাতে যদি কিছুটা দেরি হয়, সেজন্য আগেভাগেই প্রধান শিক্ষকের কাছে ব্যতিক্রমী এক ক্ষমার আবেদন করেছেন কয়েকজন সহকারী শিক্ষক। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই আবেদনপত্রের ছবিগুলো ছড়িয়ে পড়ার পর তা মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায়।
মঙ্গলবার রাতে খেলা চলাকলে দুটি আলাদা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সহকারী শিক্ষকদের পক্ষ থেকে এই আবেদনপত্রগুলো দেওয়া হয়। এর মধ্যে একটি আবেদন করেছেন জেলা প্রশাসন নোয়াখালী পরিচালিত ‘প্রভাতী শিশু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান’-এর ভারপ্রাপ্ত সহকারী প্রধান শিক্ষক মো. শহীদুল ইসলাম এবং অন্যটি করেছেন নোয়াখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা জান্নাতুল নাঈম বৃষ্টি।

তারা আবেদনপত্রে উল্লেখ করেন, আজকে ফিফা বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা বনাম ইংল্যান্ডের খেলা রাত একটায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। যেহেতু আমি একজন ব্রাজিল ফ্যান, তাই এই ম্যাচটি আমার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমি একজন ব্রাজিল সমর্থক হিসেবে ইংল্যান্ড জিতলেও খুশি, আর্জেন্টিনা হারলেও খুশি; যাতে করে আমার আর্জেন্টিনা ফ্যান সহকর্মীদের একটু সমবেদনা জানানোর সুযোগ পাই।
তারা আরও লিখেন, রাত জেগে এতক্ষণ খেলা দেখার পর সকালে স্কুলে যেতে যদি সামান্য দেরি হয়, তবে প্রধান শিক্ষক যেন বিষয়টি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখেন।
আবেদনপত্র দুটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশের পর পরই আলোচনায় আসে। প্রথমে আবেদনটি ফেসবুকে প্রকাশ করেন জান্নাতুল নাঈম বৃষ্টি নামে এক শিক্ষিকা পরে ওই আবেদন দেখে প্রভাতি স্কুলের আরেক শিক্ষক শহীদুল ইসলামও একটি আবেদন করেন।


