যারা তন্ত্রমন্ত্রের মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন, তাদের সন্তানদের চাকরি দেওয়া হয়েছে এবং তারাও নিজেরা বিভিন্নভাবে সুবিধা নিয়েছেন-অল্পদিনের মধ্যেই এসব বিষয় জাতির সামনে সুনির্দিষ্টভাবে তুলে ধরা হবে বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান।
মঙ্গলবার বিকাল সাড়ে তিনটায় সংসদের অধিবেশন শুরু হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ।
সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শামীম কায়সারের তারকাচিহ্নিত প্রশ্নের পর সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান সংসদকে জানান, যারা প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা নন কিন্তু বিভিন্নভাবে তালিকাভুক্ত হয়েছেন, তাদের চিহ্নিত করতে মন্ত্রণালয় কাজ করছে।
তিনি বলেন, ‘আশা করি অল্পদিনের মধ্যেই এ ধরনের অমুক্তিযোদ্ধাদের চিহ্নিত করতে পারব, যারা তন্ত্রমন্ত্রের মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন, তাদের সন্তানদের চাকরি দিয়েছেন এবং নিজেরাও বিভিন্নভাবে সুবিধা নিয়েছেন।’
তিনি আরও বলেন, অল্পদিনের মধ্যেই এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট সংখ্যা জানানো সম্ভব হবে এবং তা জাতির সামনে উপস্থাপন করা হবে।
মন্ত্রী বলেন, উপজেলা পর্যায়ে মুক্তিযুদ্ধ ভবনের অবস্থান নিয়েও মন্ত্রণালয় কাজ করছে এবং এ বিষয়ে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
তিনি বলেন, ‘অনেক প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধার ভাতা ১৮ বছরের ফ্যাসিবাদী সরকারের সময়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। তাদের মুক্তিযুদ্ধের সনদ স্থগিত করা হয়েছিল এবং বিভিন্নভাবে হয়রানির শিকার হতে হয়েছিল।’
এর মধ্যে অনেক অমুক্তিযোদ্ধাও তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়ে ভাতা ও অন্যান্য অবৈধ সুবিধা নিয়েছে বলেও তিনি সংসদকে জানান। এসব বিষয় নিয়েও কাজ চলছে বলে জানান মন্ত্রী।


