নির্বাচনে অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আমিনুল ইসলাম বুলবুলের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দিয়েছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি)। মঙ্গলবার তামিম ইকবালের নেতৃত্বে গঠন করেছে ১১ সদস্যের এডহক কমিটি। সেই হিসেবে সাংবাদিকদের মনে প্রশ্ন ছিল, এডহক কমিটিতে থাকায় বিসিবির আগামী নির্বাচনে তামিম-সহ বাকিরা কেউ অংশ নেবেন কিনা? এক প্রেস ব্রিফিং শেষে তামিম সোজা জবাবেই বললেন, ‘অবশ্যই আমরা ইলেকশন করব।’
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় দায়িত্ব বুঝে নিতে বিসিবি কার্যালয়ে আসেন তামিম। এডহক কমিটির সদস্যদের সাথে বৈঠক শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে আগামী নির্বাচনে লড়ার প্রসঙ্গে তামিম বলেন, ‘এখানে আপনি আমাকে ব্যক্তিগতভাবে জিজ্ঞেস করতে হবে। আমার ইচ্ছা থাকতে পারে আমি করতে পারি বা ওর ইচ্ছা থাকতে পারে ও করতে পারে। উনার ইচ্ছা নাও থাকতে পারে। আর যখন একটা ফ্রি এন্ড ফেয়ার ইলেকশন হবে, যারা ইন্টারেস্টেড আমি সবাইকে রিকোয়েস্ট করব সবাই পার্টিসিপেট করেন।’
এনএসসির আইন অনুযায়ী এডহক কমিটির কাজ সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত পর্ষদের হাতে দায়িত্ব হস্তান্তর করা। যদিও জেলা ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার গঠনতন্ত্রে এডহক কমিটির সদস্যের নির্বাচনে অংশগ্রহণের নিয়ম নেই। সেক্ষেত্রে নির্বাচনের আগে পদত্যাগ করে তারা প্রার্থী হন। কিন্তু ফেডারেশন কিংবা বোর্ডের নির্বাচনে এডহক কমিটির সদস্যদের প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে কোনো সুনির্দিষ্ট নিয়ম নেই।এনএসসির আইনেও সেটার যথাযথ উল্লেখ নেই। তামিমদের ক্ষেত্রেও সেই হিসেবে আইনগত বাধা থাকছে না, কারণ ২০১২ সালে এনএসসি মনোনীত এডহক কমিটিতে থেকেও সভাপতি হয়েছিলেন নাজমুল হাসান পাপন।


