বিপ্লব আদিত্যের একক আবৃত্তি সন্ধ্যা

বিপ্লব আদিত্যের একক আবৃত্তি সন্ধ্যা
বিপ্লব আদিত্য
Advertisement
Advertisement

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের নাটমণ্ডল মিলনায়নে গত শুক্রবার (১৯ জুন) সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে আবৃত্তিকার বিপ্লব আদিত্য’র তৃতীয় একক আবৃত্তি সন্ধ্যা ‘শিয়রে বাংলাদেশ’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

‘তারুণ্যের স্বর’ আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে দেশবরেণ্য কবি নির্মলেন্দু গুণের নির্বাচিত কবিতা, কথন ও সংগীতের সমন্বয়ে মোট ১৯টি পরিবেশনা উপস্থাপন করা হয়।

উল্লেখ্য, বিপ্লব আদিত্য’র প্রথম একক আবৃত্তি সন্ধ্যা ‘তারুণ্য’ অনুষ্ঠিত হয় ২০২৪ এর ৯ মার্চ ২০২৪ এবং দ্বিতীয় একক আবৃত্তি সন্ধ্যা “প্রেম ও দ্রোহ” অনুষ্ঠিত হয় গত বছরীর ১৯ এপ্রিল।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরেণ্য আবৃত্তিকার ও প্রশিক্ষক পারভেজ চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চলচ্চিত্র নির্মাতা এবং “তারুণ্যের স্বর”-এর সদস্য সচিব (অনুষ্ঠান) খন্দকার সুমন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কবি, সংস্কৃতিকর্মী ও কবিতানুরাগীরা।

নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করে আবৃত্তিকার বিপ্লব আদিত্য বলেন, “কবিতা আমার কাছে শুধু উচ্চারণ নয়, মানুষের ভেতরের দেশ, সময় ও অনুভূতির সঙ্গে এক ধরনের সংলাপ। নির্মলেন্দু গুণের কবিতাগুলো আবৃত্তির মাধ্যমে নতুনভাবে দর্শকের কাছে পৌঁছে দেওয়ার এই চেষ্টা আমার জন্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।”

আরও পড়ুন

প্রধান অতিথির বক্তব্যে পারভেজ চৌধুরী বলেন, “আবৃত্তি কেবল শিল্পচর্চা নয়, এটি ভাষা, চিন্তা ও সাংস্কৃতিক বোধ গঠনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। তরুণদের মধ্যে এ ধরনের একক আয়োজন ধারাবাহিকভাবে হওয়া ইতিবাচক ও আশাব্যঞ্জক।”

বিশেষ অতিথি খন্দকার সুমন বলেন, “নতুন প্রজন্মের সাংস্কৃতিক চর্চা টিকিয়ে রাখতে স্বাধীন ও ধারাবাহিক উদ্যোগ প্রয়োজন। ‘তারুণ্যের স্বর’ সেই লক্ষ্যেই তরুণ শিল্পীদের নিজস্ব কণ্ঠ ও সৃজনশীল প্রকাশের জন্য একটি পরিসর তৈরির চেষ্টা করছে।”

অনুষ্ঠান শেষে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। এর মধ্যে “তরুণ কবি সম্মাননা” প্রদান করা হয় কবীর সুমন ও আশিক রহমান লিয়নকে। “বন্ধুত্ব স্মৃতি স্মারক” প্রদান করা হয় শারমিন আক্তার, ফয়সাল আদনান এবং মাহফুজা রুমিকে। “বিশেষ সম্মাননা স্মারক” প্রদান করা হয় রিয়াজ পাবলিক স্কুল এবং আফরিন জামান সারিনকে। এছাড়া “সৌহার্দ্য স্মারক” প্রদান করা হয় সাইফুল্লাহ সাইফ ও রাজীব মজুমদারকে।

আয়োজকদের মতে, বাংলা ভাষা, কবিতা ও আবৃত্তিচর্চাকে নতুন প্রজন্মের কাছে আরও বিস্তৃতভাবে পৌঁছে দেওয়াই এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad