অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ব্যবসায়ী নেতাদের আশ্বস্ত করে বলেছেন, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) প্রধান কার্যালয় চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় সরানো হবে না।
শুক্রবার সন্ধ্যায় নগরের মেহেদিবাগ এলাকায় মন্ত্রীর বাসভবনে নবনির্বাচিত চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির নেতাদের সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি এ আশ্বাস দেন।
নবনির্বাচিত চেম্বার সভাপতি ও সিকম গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আমিরুল হক টাইমস অব বাংলাদেশকে বলেন, ‘আমি মন্ত্রীর কাছে অনুরোধ করেছি, বিপিসির প্রধান কার্যালয় যেন ঢাকায় স্থানান্তর করা না হয়। আমরা অর্থমন্ত্রীকে বলেছি, বিপিসির প্রধান কার্যালয় চট্টগ্রাম থেকেই পরিচালিত হোক। তিনি আমাদের প্রস্তাবের সঙ্গে একমত হয়েছেন এবং আশ্বস্ত করেছেন, কার্যালয়টি চট্টগ্রামেই থাকবে।’
বৈঠকে চেম্বারের নেতারা চট্টগ্রামের বাণিজ্য ও ব্যবসা–সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন। এর মধ্যে ছিল চট্টগ্রাম কাস্টমসে বাণিজ্যসুবিধা, বন্দরসেবা ও শুল্কহার, ওভারব্রিজ, ওয়্যার (জলনিয়ন্ত্রণ কাঠামো) এবং অন্যান্য অবকাঠামোগত সমস্যা।
চট্টগ্রাম–ঢাকা মহাসড়কের বোড়া দারোগাহাট এলাকায় পণ্যবাহী যানবাহনের ওজন পরিমাপের স্কেল–সংক্রান্ত বিষয়েও নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, চট্টগ্রামভিত্তিক ব্যবসায়ীদের কোনো ধরনের বৈষম্যের শিকার হওয়া উচিত নয়।
প্রায় দেড় ঘণ্টাব্যাপী এই বৈঠকে বাণিজ্যসুবিধা বৃদ্ধি এবং চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী সমাজের বিভিন্ন সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা হয়।
চেম্বার সভাপতি মোহাম্মদ আমিরুল হকের নেতৃত্বে নবনির্বাচিত ২৪ জন পরিচালক বৈঠকে অংশ নেন। ইউনাইটেড বিজনেস ফোরামের নেতা এম এ সালাম ও সৈয়দ মোহাম্মদ তানভীরসহ অন্যরাও উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে, ২৩ মে অনুষ্ঠিত চট্টগ্রাম চেম্বারের নির্বাচনে আমিরুল হকের নেতৃত্বাধীন প্যানেলের ২৪ জন পরিচালক নির্বাচিত হন। পরে ২৫ মে নতুন সভাপতিমণ্ডলী গঠন করা হয়। শুক্রবারের বৈঠকটি ছিল নতুন চেম্বার নেতাদের সঙ্গে অর্থমন্ত্রীর প্রথম আনুষ্ঠানিক সাক্ষাৎ।


