নির্বাচনের সুযোগ নিয়ে যারা দেশকে অস্থির করার চেষ্টা করছেন, খুনখারাবি ও মব সৃষ্টি করে বিশৃঙ্খলা করছেন, তারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা কখনো চায়নি বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস।
তিনি বলেন, তারা জনগণের পালস বুঝে গেছে। দেশপ্রেমিক শক্তির বিরুদ্ধে একটি মহল ষড়যন্ত্র করছে। জনগণ তাদের ফাঁদে পা দেবে না।
সোমবার বিকালে শাহবাগে ‘বারডেম জেনারেল হাসপাতাল কর্মকর্তা-কর্মচারী ঐক্য পরিষদ’ আয়োজিত দোয়া মাহফিল ও শোকসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘২০১৮ সালের নির্বাচনে আমরা বিভিন্নভাবে আক্রান্ত হয়েছিলাম। আমার বাসা হাসপাতালে পরিণত হয়েছিল। সেখান থেকে আওয়ামী সন্ত্রাসীদের আক্রমণে আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে নিতে তিনটি অ্যাম্বুলেন্স কাজ করেছে। সেই অত্যাচার থেকে কষ্ট সহ্য করে নিজের জীবনের বিনিময়ে আমাদের রক্ষা করেছেন খালেদা জিয়া। তার বিরুদ্ধে অবিচার হয়েছে, অত্যাচার হয়েছে, তবু তিনি দেশ ছেড়ে যাননি। অথচ একটিবারও কৃতজ্ঞতা নেই। সব নাকি তারা অর্জন করেছে।’
মির্জা আব্বাস বলেন, ‘দীর্ঘ ১৭ বছর গুম-খুনের শিকার হয়েছি। এখনো ষড়যন্ত্র চলছে। ভাবটা এমন যে বিএনপি কথা বলতেই পারবে না। বললেই টুইস্ট করা হচ্ছে। কোটি কোটি টাকা লগ্নি করা হচ্ছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে, যাতে আমাদের বিরুদ্ধে লেখা হয়। আমাকে টার্গেট করা হচ্ছে। যারা আমার সম্পর্কে অপপ্রচার করছেন, তারা অপরিপক্ক। তারা হয়তো আমার সম্পর্কে কিছু জানে না। এসব অপরিপক্করা যদি সংসদে আসে, তাহলে সংসদের কী অবস্থা হবে, আল্লাহ জানেন।’
দোয়া ও স্মরণসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির মহাসচিব মো সাইফুদ্দিন, বারডেম হাসপাতালের পরিচালক মো নাসির উদ্দিন, কর্মকর্তা-কর্মচারী পরিষদের আহ্বায়ক সহকারী আনোয়ারুল ইসলাম, মাহমুদ নবী সিদ্দিকী, রেনে সুজান ক্লদ সরকার, নাজমুল ইসলাম, সৈয়দ দাউদ, তৈমুর, আমিরুল ইসলাম পাভেল প্রমুখ।


