কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগে প্রবাসীর স্ত্রীকে লাঠপেটা ও হেনস্তার অভিযোগ পাওয়া গেছে ইউপি সদস্য বজলুর রহমানের বিরূদ্ধে। তিনি শ্রীপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সহসভাপতি।
এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর আলোচনা সমালোচনার ঝড় ওঠে।
গত বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়নের গোপালনগরে এ ঘটনা ঘটে। পরে মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিওটি ভাইরাল হয়।
নির্যাতনের শিকার গৃহবধূকে ঘটনার দিনই পাশের গ্রামের বিল্লাল মিয়া নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে জোর করে বিয়ে দেওয়া হয়।
স্থানীয়রা জানায়, নির্যাতনের শিকার গৃহবধূর সঙ্গে বিল্লাল মিয়ার অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগে বৃহস্পতিবার রাতে দুইজনকে আটক করে স্থানীয়রা। পরে মেম্বার বজলুর রহমান ওই নারীকে লাঠিপেটা করেন। পরদিন শুক্রবার সকালে ওই ইউপি সদস্যের নেতৃত্বে সালিশ বৈঠক হয়। ওই সালিশের সিদ্ধান্ত অনুযায়ি অনৈতিক সম্পর্কে থাকা বিল্লাল মিয়ার সঙ্গে বিয়ে দেওয়া হয় ওই নারীকে।
বিল্লাল এর আগে বিবাহিত ছিলেন। তার স্ত্রী ও চার মেয়ে রয়েছে। এছাড়াও নির্যাতনের শিকার প্রবাসীর স্ত্রীও দুই সন্তানের জননী।
এ বিষয়ে ইউপি সদস্য বজলুর রহমান বলেন, ‘ওই মহিলা আমার ভাতিজার স্ত্রী। পার্শ্ববর্তী তারা পুষ্করুণী গ্রামের বিল্লাল মিয়ার সঙ্গে তার অবৈধ সম্পর্ক অনেক দিন ধরে। বৃহস্পতিবার রাতে গ্রামবাসী তাদের আটক করে আমাদের খবর দেয়। পরে শুক্রবার স্থানীয় লোকজনসহ সালিশ করে ৫ লাখ টাকা কাবিনে তাদের বিয়ে দেওয়া হয়।’
চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হিলাল উদ্দিন আহমেদ জানান, নির্যাতনের ভিডিও তাদের নজরে এসেছে। ঘটনার সত্যতা যাচাই করে তারা যথাযথ ব্যবস্থা নেবেন।


