ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-২ আসনে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ায় তিন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।
মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়া চার প্রার্থী হলেন-স্বতন্ত্র প্রার্থী জিন্নাত আক্তার ও আহমদ কবির এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের এইচ এম আফরাফ বিন ইয়াকুব।
শুক্রবার বেলা ১১টায় চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক ও চট্টগ্রাম-২ আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা তাদের মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করেন। এছাড়া তিন প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়।
বাতিল হওয়া প্রার্থীদের মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী জিন্নাত আক্তারের দাখিল করা এক শতাংশ ভোটারদের মধ্যে দ্বৈবচয়নের মাধ্যমে ১০ জনকে যাচাই করা হয়। এর মধ্যে আটজনই স্বাক্ষরের বিষয়টি অস্বীকার করেন। তাই মনোনয়ন বাতিল হিসেবে গণ্য হয়।
স্বতন্ত্র প্রার্থী আহমদ কবিরের ১২ (ক-১) ধারা অনুসারে এক শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর না থাকায় মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। এর সঙ্গে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী এইচ এম আশরাফ বিন ইয়াকুব দলীয় মনোনয়ন ও হলফনামা না দেওয়ায় মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।
এ ছাড়া তিনজন প্রার্থীকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত সময় বেঁধে দেওয়া হয়। তারা হলেন-সুপ্রিম পার্টির দুই প্রার্থী শাহজাদা সৈয়দ সাইফুদ্দিন আহমদ ও মো. ওসমান আলী এবং গণ অধিকার পরিষদের রবিউল হাসান।
বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির (বিএসপি) প্রার্থী শাহজাদা সৈয়দ সাইফুদ্দিন আহমদ তথ্য ঘাটতি পূরণ করতে না পারলে মনোনয়ন বাতিল বলে গণ্য হবে। একই আসনে একই দলের প্রার্থী মো. ওসমান আলী উপস্থিত ছিলেন না। তথ্য ঘাটতি থাকায় তাকেও উপস্থিত হয়ে তথ্যাবলী সংযুক্ত করতে হবে।
গণ অধিকার পরিষদের প্রার্থী রবিউল হাসানের সমর্থনকারীর স্বাক্ষর না থাকায় স্বাক্ষরের জন্য সময় বেধে দেওয়া হয়েছে।
বৈধ প্রার্থীরা হলেন– বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ নুরুল আমিন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) সরওয়ার আলমগীর ও জনতার দলের মোহাম্মদ গোলাম নওশের আলী।
আগামী ৪ জানুয়ারির পর চারদিনের মধ্যে বাতিল হওয়া প্রার্থীরা আপিল করতে পারবেন বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক ও চট্টগ্রাম-২ আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার জন্য চট্টগ্রাম-২ আসনে ১৪ জন প্রার্থী মনোনয়ন সংগ্রহ করেন। এবং ৯ জন মনোনয়ন জমা দেন।


