বাগেরহাটের খানজাহান আলী (রা.) মাজারের পুকুরের কুমিরটি খুলনা বন্যপ্রাণী পুনর্বাসন কেন্দ্রে স্থানান্তর করা হয়েছে।
বুধবার দুপুর ১টার বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থায় প্রাণীটি স্থানান্তর করা হয়।
খুলনা বন্যপ্রাণী উদ্ধার ও পুনর্বাসন কেন্দ্রের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) নির্মল কুমার পাল জানান, বন অধিদপ্তর, বন্যপ্রাণী উদ্ধার কেন্দ্র ও করমজল বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রের একটি যৌথ দল বাগেরহাটের জেলা প্রশাসনের সহায়তায় দুপুর ১২টা দিকে কুমিরটি উদ্ধার করে। চার থেকে সাত দিন নিবিড় পর্যবেক্ষণের পর কুমিরটি কোথায় রাখা হবে, সেই সিদ্ধান্ত নেবে সরকার।
কুমির হস্তান্তরের সময় খুলনার বন সংরক্ষক ইমরান খানসহ বন অধিদপ্তরের কর্মকর্তা ও বাগেরহাট জেলা প্রশাসনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
পশ্চিম সুন্দরবন বিভাগের ডিএফও রেজাউল করিম চৌধুরী জানান, বিশেষ উদ্ধারকারী দল সকালে কুমিরটি উদ্ধার করে। দলটি কুমিরটির আচরণ পর্যবেক্ষণসহ কারিগরি বিষয়গুলো নির্ধারণ করবে।
গত সোমবার রাত ৮টার দিকে মাজারের পুকুরে গোসল করার সময় আট বছরের শিশু ফাতেমা আক্তার কুমিরের আক্রমণের শিকার হয়। মঙ্গলবার ভোরে পুকুরের মহিলা ঘাট থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনার পর বাগেরহাট জেলা প্রশাসক গোলাম মোহাম্মদ বাতেন কুমিরটি সুন্দরবনের করমজল বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেন।


