নিয়োগ পরীক্ষায় প্রক্সির মাধ্যমে জালিয়াতি করে চাকরি পাওয়ার অভিযোগে ৪৫তম বিসিএসে সুপারিশপ্রাপ্ত এক কর্মকর্তাসহ তিন সরকারি চাকরিজীবীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
রোববার সিআইডির পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন নুরন্নবী (৫৫) ও মো. সোহেল (৪০), কর অঞ্চল-২ চট্টগ্রামে কর্মরত অফিস সহায়ক ও জুলফিকার আলী ওরফে রায়হান (২৯) ও মাতারবাড়ি কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্পে জুনিয়র সহকারী ব্যবস্থাপক। জুলফিকার সম্প্রতি ৪৫তম বিসিএসে সমবায় ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হন।
তদন্তে জানা গেছে, কর অঞ্চল-নোয়াখালীতে বিভিন্ন পদের নিয়োগ পরীক্ষার প্রাথমিক বাছাইয়ে নির্বাচিত প্রার্থীদের কাগজপত্র যাচাইয়ের সময় মো. কামাল উদ্দিন ও মো. নাসফুরুল্লাহর হাতের লেখায় অসঙ্গতি ধরা পড়ে। জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানান, লিখিত, ব্যবহারিক ও মৌখিক পরীক্ষায় তারা অংশ নেননি, তাদের পরিবর্তে অন্য প্রক্সি পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছিলেন। পরে মো. সুজনও প্রক্সি পরীক্ষার্থীর মাধ্যমে উত্তরণের বিষয়টি স্বীকার করেন।
এই ঘটনায় ২২ জুন নোয়াখালীর সুধারাম মডেল থানায় মামলা হয়। মামলাটি সিআইডির তফসিলভুক্ত হলে তারা তদন্তভার গ্রহণ করে।
গ্রেপ্তারদের দেওয়া তথ্য বিশ্লেষণে সিআইডি জানতে পারে, একটি সংঘবদ্ধ চক্র অর্থের বিনিময়ে প্রক্সি পরীক্ষার্থী সরবরাহ করে দীর্ঘদিন ধরে সরকারি চাকরির পরীক্ষায় প্রতারণা করে আসছে। শনিবার পৃথক অভিযানে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার থেকে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এই মামলায় এখন পর্যন্ত ছয়জনকে গ্রেপ্তার করে আজ আদালতে পাঠানো হয়েছে। চক্রের অন্য সদস্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে।


