জানুয়ারিতে আইসিসি নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ। ইংল্যান্ডে আগামী ১২ জুন শুরু হতে যাওয়া মূলপর্বও নিশ্চিত হয় তখন নিগার সুলতানা জ্যোতিদের। গ্রুপ-১ এ বাংলাদেশ খেলবে পাঁচ ম্যাচ। ভেন্যু হিসেবে বার্মিংহাম-লিডস যেমন আছে, আছে ঐতিহ্যবাহী লর্ডস ক্রিকেট গ্রাউন্ডও। এ নিয়ে বাংলাদেশ নারী দলে উন্মাদনা আছে সূচি প্রকাশের পর থেকেই।
আগামী ২৮ জুন ঐতিহাসিক এই মাঠেই গ্রুপ পর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ, প্রতিপক্ষ দক্ষিণ আফ্রিকা। এর আগের চার ম্যাচ খেলবে নেদারল্যান্ডস, অস্ট্রেলিয়া, পাকিস্তান ও ভারতের বিপক্ষে চারটি ভিন্ন মাঠে। তবে লর্ডসে খেলার সুযোগ আসাতে উচ্ছ্বাস আটকে রাখতে পারেননি বাংলাদেশ অধিনায়ক।
রোববার মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে এক সংবাদ সম্মেলনে জ্যোতি বলেন, ‘এ নিয়ে টিম এক্সাইটেড। আবার যে অন্য দিক থেকে আমরা অনেক বেশি ফোকাসড। কারণ হচ্ছে লর্ডসের মাঠ, চারদিকে কিন্তু সবার চোখ থাকবে এইরকম। কারণ এর আগে আমাদের চারটা ম্যাচ খেলতে হবে।
আমরা ছোট থেকে যখন ক্রিকেট খেলা শুরু করেছি তখন থেকেই এসব বিখ্যাত জায়গার কথা শুনতাম। ক্রিকেটাররাও সেখানে খেলতে যেতে চায়। আমরাও খুশি, আমাদের সামনে সেই সুযোগ এসেছে।’
মূলত বাছাইপর্বের চ্যাম্পিয়ন দলকে একটা ম্যাচ লর্ডসে খেলানোর পরিকল্পনা ছিল আইসিসির। সেই হিসেবে যোগ্যতা দিয়েই সেটা আদায় করতে পেরেছে বাংলাদেশ। আর এই সুযোগটা কাজে লাগিয়ে ঐতিহাসিক মাঠে ইতিহাস গড়তে চান জ্যোতি, ‘আমরা এই ব্যাপারটাকে এভাবেই চিন্তা করতে চাই যে আমাদের জন্য এটা বড় অপরচুনিটি। আর সবার জন্য যে একটা হিস্টোরিক্যাল প্লেসে যেয়ে আসলে হিস্টোরি মেক করা।’


