বরিশালের বাবুগঞ্জে ১২ বছর বয়সী শিশু শিক্ষার্থীকে যৌন (বলাৎকার) নির্যাতনের অভিযোগে করা মামলায় এক মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষককে গ্রেপ্তারের পর কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
শনিবার তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। এর আগে শুক্রবার রাতে নাটোর জেলার সিংড়া উপজেলার নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাবুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান।
অভিযুক্ত শিক্ষকের নার মো. মাসুম বিল্লাহ (২৬)। তিনি নাটোর জেলার সিংড়া উপজেলার চক হিয়াতপুর গ্রামের শাহাদাত হোসেনের ছেলে। তিনি বাবুগঞ্জ উপজেলার আল ইকরা দারুল উলুম নূরানী ও হাফিজিয়া মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
মামলার এজাহারে জানা গেছে, গত ১৫ মার্চ দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে মাদ্রাসার হেফজ বিভাগের ওই আবাসিক শিক্ষার্থীকে ঘুম থেকে ডেকে পর্দার আড়ালে নিয়ে যৌন নির্যাতন করেন অভিযুক্ত শিক্ষক। পরে শিশুটি বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের জানালে তার বাবা বাদী হয়ে ১১ এপ্রিল বাবুগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন।
মামলার পর ভুক্তভোগী শিশুকে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য বরিশালের শের-ই-বাংলা হাসপাতালে পাঠানো হয়। তবে ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত শিক্ষক আত্মগোপনে ছিলেন।


