বলিউড সুপারস্টার শাহরুখ খান উদযাপন করছেন তার ৬০তম জন্মদিন। ভক্ত থেকে শুরু করে সহকর্মী, সবার শুভকামনায় ভরে উঠেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও দেয়াল।
তবে এবারের জন্মদিনটা নিঃসন্দেহে শাহরুখের জন্য আলাদা। কারণ ৩৩ বছরের ক্যারিয়ারে এবারই প্রথম তার হাতে উঠেছে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। ‘জাওয়ান’ ছবির জন্য ভারতের ৭১তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের সেরা অভিনেতার খেতাব জয় করেছেন তিনি।
১৯৬৫ সালের ২ নভেম্বর ভারতের নয়াদিল্লিতে জন্ম শাহরুখের। বাবা মীর তাজ মোহাম্মদ খান, মা ফাতিমা খান।
টেলিভিশনের জন্য নির্মিত সিরিয়াল ‘ফৌজি’ দিয়ে অভিনয়ে আত্মপ্রকাশ করে শাহরুখ খান। এরপর সার্কাসসহ বেশ কয়েকটি সিরিয়ালে অভিনয় করেন তিনি।
১৯৯২ সালে রাজ রানওয়ারের ‘দিওয়ানা’ ছবির মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হয় তার, বিপরীতে ছিলেন সেসময়ের ক্রেজ দিব্যা ভারতী।
১৯৯৩ সালে আব্বাস-মাস্তানের ‘বাজিগর’ ছবি দিয়ে মূলত লাইমলাইটে আসেন শাহরুখ। তবে ১৯৮৫ সালে যশ চোপড়ার ‘ডর’ এবং আদিত্য চোপড়ার ‘দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে জায়েঙ্গে’ শাহরুখকে তুমুল জনপ্রিয়তা এনে দেয়।
শুরু হয় তারকাখ্যাতির পথে শাহরুখের অগ্রযাত্রা। শাহরুখ পরিচিতি পেতে থাকেন ‘কিং খান’ নামে।
লম্বা ক্যারিয়ারে অনেকগুলো ব্যবসাসফল ছবি উপহার দিয়েছেন শাহরুখ। যার মধ্যে রয়েছে ‘কুছ কুছ হোতা হ্যায়’, ‘কাভি খুশি কাভি গম’, ‘দিল তো পাগল হ্যায়’, ‘বীর জারা’, ‘কাল হো না হো’, ‘পাঠান’, ‘ডাঙ্কি’।
একটা সময় ছিল, শাহরুখের ছবি মানেই ব্লকবাস্টার হিট। বছরভর তার ভক্তরা মুখিয়ে থাকেন, কবে শাহরুকের নতুন ছবির ঘোষণা আসবে সেই দিকে।
কেবল ব্লকব্লাস্টার হিটই নয়, ‘চাক দে’ বা ‘স্বদেশ’ এর মতো ছবি করে সমালোচকদের প্রশংসাও কুড়িয়েছেন তিনি।
কয়েক দশক ধরে বেশ কয়েকটি হিট ছবি উপহার দেওয়ার পর ২০১৬ সালে শাহরুখের অভিনয় ক্যারিয়ারে কিছুটা স্থবিরতা দেখা দেয়। ২০১৮ সালে ‘জিরো’ ছবির বিপর্যয়ের পর তিনি কিছুদিনের জন্য বিরতি নেন।
এরপর ২০২৩ সালে পাঠান এবং জওয়ানের মাধ্যমে রাজার মতোই বলিউডে ফিরে আসেন শাহরুখ। তার পরবর্তী ছবির নামও ‘কিং’, যেটি আগামী বছর সিনেমা হলে মুক্তি পাবে বলে জানা গেছে।


