ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন করেছে কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি)। এ সময় বিএনপিপন্থি শিক্ষক, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্থাপিত ভিত্তিপ্রস্তরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।
শুক্রবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদের সামনে থেকে একটি র্যালি শুরু হয়ে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক ঘুরে জিয়াউর রহমানের ভিত্তিপ্রস্তরে গিয়ে শেষ হয়।
ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাহেদ আহম্মেদ বলেন, ‘এই দিনে সিপাহি-জনতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে বন্দিদশা থেকে মুক্ত করেছিলেন। অনেক ষড়যন্ত্র ও অভ্যুত্থান হয়েছে, কিন্তু এখনো বাংলাদেশে পাকিস্তানপ্রেমীরা নির্বাচন বানচালের অপচেষ্টা চালাচ্ছে। আমরা তাদের ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করছি।’
এ সময় আসন্ন নির্বাচনে পিআর পদ্ধতি মানা হবেনা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ভোটের দিনই গণভোট হবে।’
ইউট্যাবের সভাপতি অধ্যাপক ড. তোজাম্মেল হোসেন বলেন, ‘৭ নভেম্বরের বিপ্লবের মাধ্যমে জিয়াউর রহমান মুক্ত হয়ে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করেন।’
অতীতে জিয়া দেশকে উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিয়েছিলেন, কিন্তু ষড়যন্ত্রকারীরা তাকে হত্যা করলেও জাতীয়তাবাদী আদর্শকে নিঃশেষ করতে পারেনি বলে মন্তব্য করেন তিনি।
এদিকে ইবি জিয়া পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক ড. ফারুকুজ্জামান খান জানান, অনলাইনে জাতীয়তাবাদী শক্তির উপস্থিতি আরও জোরদার করতে হবে।
তিনি বলেন, ‘জিয়াউর রহমান জনগণের মতামত নিয়ে গণভোট করেছিলেন, কিন্তু বর্তমান সরকার জনগণের ম্যান্ডেট ছাড়াই ক্ষমতায় আছে। এই পার্থক্য সবাইকে বোঝাতে হবে।’
র্যালি শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন ইবি জিয়া পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক ড. ফারুকুজ্জামান খান, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. রফিকুল ইসলাম, সাবেক সভাপতি অধ্যাপক ড. আব্দুস সামাদ, ইউট্যাবের সভাপতি অধ্যাপক ড. তোজাম্মেল হোসেন, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. রশিদুজ্জামান, প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান, অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান, অধ্যাপক ড. নুরুন্নাহার, শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাহেদ আহম্মেদ, সদস্য সচিব মাসুদ রুমি মিথুন, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আনোয়ার পারভেজ প্রমুখ।


