পাহাড়খেকো যতই প্রভাবশালী হোক, ছাড় দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম। মঙ্গলবার সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যা ও পাহাড়ধসে ক্ষতিগ্রস্ত কক্সবাজারের বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।
এদিন জেলার বিভিন্ন দুর্গত এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন শেষে কক্সবাজার সদরের ঝিলংজা ইউনিয়নের চান্দের পাড়ায় শতাধিক ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মধ্যে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন তিনি।
এ সময় প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘অতীতে যেভাবে নির্বিচারে পাহাড় কাটা হয়েছে, বর্তমান সরকারের আমলে তা আর চলতে দেওয়া হবে না। পাহাড়খেকো যতই প্রভাবশালী হোক না কেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
কৃত্রিম জলাবদ্ধতার অভিযোগ নিয়েও ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেন, ‘কোথাও সুইসগেট বন্ধ রেখে কৃত্রিম জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করা হয়ে থাকলে, বিষয়টি তদন্ত করা হবে। এর সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের বিরুদ্ধেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসনে সরকার প্রয়োজনীয় সব ধরনের উদ্যোগ নেবে জানিয়ে অনিন্দ্য ইসলাম বলেন, ‘নির্বাচিত সরকারের ওপর আস্থা রাখুন। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সব ধরনের অবকাঠামো সংস্কার করা হবে। কৃষি, মৎস্য, গবাদিপশু ও বসতবাড়ির ক্ষয়ক্ষতিও বিবেচনায় নিয়ে ক্ষতিগ্রস্তদের দ্রুত পুনর্বাসনের আওতায় আনা হবে।’
বন্যার পানি পুরোপুরি নেমে যাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো ক্ষয়ক্ষতির চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেবে। সেই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পূর্ণাঙ্গ পুনর্বাসন কার্যক্রম শুরু করা হবে বলেও জানান তিনি।
এর আগে, প্রতিমন্ত্রী বন্যা ও পাহাড়ধসে ক্ষতিগ্রস্ত জেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখেন এবং দুর্গত মানুষের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় কক্সবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফর রহমান কাজল, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপারসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


