রাজধানীর উত্তরা হাউজ বিল্ডিং, বিমানবন্দর সড়কে দিনে দুপুরে কুপিয়ে ছিনতাই ও চুরির ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সাড়াশি অভিযান চলছে। ছিনতাইকারীদের গ্রেপ্তারের পাশাপাশি তাদের পেছনের প্রশ্রয় দাতাদের তালিকা করেছে র্যাব। দ্রুতই তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি অভিযান চালানো হবে।
মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজার র্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে র্যাব-১ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. নেয়ামুল হালিম চৌধুরী এসব কথা জানান।
তিনি বলেন, ছিনতাইকারী ও মাদক কারবারিদের পিছনে কিছু লোক আশ্রয় প্রশ্রয় দিয়ে থাকে। এমন কি গ্রেপ্তার হলে জামিন করানোর লোক আছে।
এই আশ্রয় দাতাদের বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা নেওয়া হবে জানতে চাইলে নেয়ামুল হালিম বলেন, ‘আমরা বেশ কিছু তথ্য পাচ্ছি। যারা পিছন থেকে সহযোগিতা করছে। আমরা অভিযান করবো। আমরা কিছু নাম পেয়েছি, যেটা তদন্তের স্বার্থে গোপন রাখতে হচ্ছে। আমরা তাদেরকে অভিযানের মাধ্যমে গ্রেপ্তার করবো।’
বিমানবন্দর থেকে গাজীপুরের মাঝখানের সড়কে প্রতিনিয়ত ছিনতাইয়ের ঘটনা নিয়ে তিনি বলেন, উত্তরা বিভাগের পুলিশ দুই দিন অভিযান চালিয়েছে। প্রথম দিনে ৮২ জন এবং সোমবার প্রায় ১০০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে কয়েকজনকে সমাজ কল্যাণ অধিদপ্তরে হস্তান্তর করা হয়েছে। এবং যাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মামলা ছিল তাদেরকে থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। গত সপ্তাহে টঙ্গি রেলস্টেশন ও মাজার বস্তিতে অভিযান চালিয়ে প্রায় ১৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
র্যাব জানায়, এই বছরের শুরু থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ১২০০ জন ছিনতাইকারী, চাঁদাবাজ ও মাদক কারবারিসহ বিভিন্ন শ্রেণির অপরাধীদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।


