মাত্র এক মাস আগে বিয়ে হয়েছিল আছিয়া আক্তার মিমের। মাস্টার্সে পড়াশোনার পাশাপাশি একটি কলেজে প্রভাষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন ২৬ বছরের এই তরুণী। মঙ্গলবার ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের বাসা থেকে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
বিকালে হাসনাবাদ এলাকার বাসা থেকে অচেতন অবস্থায় মিমকে উদ্ধার করে স্বজনরা ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেন। সন্ধ্যা ৭টার দিকে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
মিম সিদ্ধেশ্বরী কলেজের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী ছিলেন। পাশাপাশি হাসনাবাদ কামুচাঁন শাহ্ স্কুল অ্যান্ড কলেজে প্রভাষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তার বাবা মৃত মনিরুজ্জামান। বাবা-মায়ের বাসাও হাসনাবাদ এলাকায়।
এক মাস আগে রিকশা গ্যারেজের মালিক ইমামুল ইসলামের সঙ্গে মিমের বিয়ে হয়।
হাসপাতালে ইমামুল টাইমস অব বাংলাদেশকে জানান, একই বাড়ির তৃতীয় তলায় তারা থাকতেন এবং দ্বিতীয় তলায় থাকতেন মিমের বাবা-মা। বিয়ের পর পারিবারিক বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে মাঝেমধ্যে ঝগড়া হতো। মঙ্গলবারও তাদের কথা-কাটাকাটি হয়।
ইমামুলের ভাষ্য, দুপুরে নির্মাণাধীন নতুন বাড়ির কাজ দেখতে যান তিনি। বিকালে ফিরে মিমের খোঁজ নেন। পরে ঘুম থেকে উঠে তাকে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।
একপর্যায়ে তৃতীয় তলার একটি কক্ষ ভেতর থেকে বন্ধ দেখতে পান। ডাকাডাকি করেও সাড়া না পেয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢোকেন। সেখানে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় মিমকে ঝুলতে দেখেন।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের পরিদর্শক মো. ফারুক চিকিৎসকের বরাত দিয়ে জানান, ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মর্গে রাখা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট থানাকেও বিষয়টি জানানো হয়েছে।

