নানা ঘটনার পর বাংলাদেশের মানুষ এখন অনেক আশা নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর দিকে তাকিয়ে আছে বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
তিনি বলেছেন, ‘দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়ে আমরা একত্রিত হয়েছি। রাজনৈতিক দলগুলোর দিকে তাকিয়ে আছে দেশের মানুষ। তিনি বলেন, কিছুদিন আগে দেশে নির্বাচন হয়েছে। এই নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে গণতন্ত্রের যাত্রা শুরু হয়েছে। দেশের মানুষ অনেক আশা নিয়ে আমাদের দিকে তাকিয়ে আছেন। এই গণতন্ত্রের জন্য বাংলাদেশের মানুষ একযুগেরও বেশি সময় ধরে অকাতরে জীবন দিয়েছে।’
অত্যাচার-নির্যাতনের শিকার অসংখ্য মানুষের ত্যাগের বিনিময়ে বাংলাদেশ গণতন্ত্রে যাত্রার সুযোগ পেয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আসুন দেশের মানুষের ভাগ্যপরিবর্তনের জন্য আগামীদিনের কাজগুলো করি।’
শনিবার সন্ধ্যায় ঢাকার বাংলাদেশ চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জামায়াতে ইসলামীর আয়োজিত ইফতার মাহফিলে যোগ দিয়ে শুভেচ্ছা বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

ইফতার মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।
ইফতারে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান একই টেবিলে বসেন। তাদের সঙ্গে ছিলেন বিএনপি ও জামায়াতের নেতারা।
তাদের মধ্যে ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান, এটিএম আজহারুল ইসলাম, সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের, আ ন ম শামসুল ইসলাম, জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতা শাহজাহান চৌধুরীসহ অন্যরা।
এছাড়া জাগপার মুখপাত্র রাশেদ প্রধান, এনসিপির সদস্য সচিব ও সংসদ সদস্য আখতার হোসেন, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, এলডিপির সভাপতি অলি আহমদ, ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম এবং সংসদ সদস্য, বিশিষ্ট ব্যক্তি ও সাংবাদিকসহ নানা পেশার মানুষ ইফতার আয়োজনে যোগ দেন।
ইফতারের আগে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন ১১দলীয় ঐক্যের নেতা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক।


