ঢাকার নয়া পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অফিস করলেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর এই প্রথম তিনি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে উপস্থিত হলেন।
সোমবার সকাল ১১টার দিকে তিনি কার্যালয়ে এসে নিয়মিত অফিস কার্যক্রম শুরুর করেন।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দপ্তরের সহসম্পাদকদের নিয়মিত অফিস করার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাজের খোঁজখবর নেন এবং সবাইকে নিয়মিত উপস্থিত থাকার নির্দেশনাও দেন তিনি।
দলের মহাসচিব বলেন, ‘আপনারা নিয়মিত অফিস করবেন, কোনো কাজ ফেলে রাখা যাবে না। নেতা-কর্মীরা দূর দূরান্ত থেকে আসলে তাদেরকে সহযোগিতা করতে হবে। এটাতে যেন কোনো শিথিলতা না হয় সেই দিকে নজর রাখতে হবে।’
প্রায় ৪৫ মিনিট পর অফিস কার্যক্রম শেষে তিনি সচিবালয়ে তার দপ্তরের উদ্দেশে রওনা হন।
এর আগে মির্জা ফখরুল কার্যালয়ে পৌঁছালে প্রধান ফটকে তাকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান নেতাকর্মী ও সমর্থকেরা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন দলের সহদপ্তর সম্পাদক মুনির হোসেন, তারিকুল ইসলাম এবং মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান।
পরে তিনি তিন তলায় নিজের চেম্বারে যান। চেম্বারে নির্বাহী কমিটির সদস্য সালেহ উদ্দিন, হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের সহসভাপতি তপন কুমার মজুমদারসহ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাকে শুভেচ্ছা জানান।
জানা গেছে, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি বিএনপি সরকার গঠনের পর থেকে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে নেতাকর্মীদের উপস্থিতি ছিল কম। এমনকি প্রায় ছয় দিন কার্যালয় ছিল অনেকটাই ফাঁকা। একজন অফিস কর্মী জানান, গত কয়েক দিন অফিস একেবারে ফাঁকা ছিল। কাজকর্মও তেমন ছিল না।
তবে সোমবার সকালে দেখা যায় ভিন্ন চিত্র। অফিসকক্ষগুলো সাজানো-গোছানো, একই সঙ্গে প্রস্তুত রাখা হয় ব্রিফিং কক্ষ। নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে কার্যালয়ে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে আসে।
দফতরের কর্মকর্তা রেজাউল করীম বলেন, ‘মহাসচিব স্যার আসবেন জেনে সকাল থেকেই আমরা প্রস্তুত ছিলাম। তিনি আসায় ভালো লাগছে।’
মহানগর বিএনপির কর্মী আবদুল হালিম বলেন, ‘মহাসচিব আসবেন জেনে সকাল ১০টার দিকে পার্টি অফিসে এসেছি। গত কয়েক দিন অফিসে তেমন কাউকে দেখা যায়নি। আজ আবার গমগম করছে অফিস।’


