জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) ‘জুলাই অভ্যুত্থান: ওরাল হিস্ট্রি আর্কাইভ’ শীর্ষক একটি কর্মশালা সোমবার সকালে ওয়াজেদ মিয়া বিজ্ঞান গবেষণা কেন্দ্রের সেমিনার কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে। কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপাচার্য মোহাম্মদ কামরুল আহসান।
উপাচার্য বলেন, ‘১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সঠিকভাবে সংরক্ষণ না করায় নানা বিভ্রান্তি ছড়িয়ে পড়েছে এবং প্রকৃত ত্যাগের ইতিহাস যথাযথভাবে প্রতিফলিত হয়নি।’
তিনি বলেন, ১৯৯০ সালের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলনের শহীদদের অবদানও সময়ের সঙ্গে ম্লান হয়ে গেছে। গত দেড় দশকে স্বৈরাচারী শাসনের কারণে অনেক সময় মনে হয়েছে শহীদদের অস্তিত্বই যেন অস্বীকার করা হয়েছে। তাই সামগ্রিক ইতিহাস সংরক্ষণ এখন জরুরি এবং ওরাল হিস্ট্রি আর্কাইভ গড়ে তোলা সময়োপযোগী উদ্যোগ বলে তিনি মন্তব্য করেন।
তিনি আরও বলেন, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে নানা শ্রেণি–পেশার মানুষ অংশ নিলেও সবার পক্ষে লিখিত ইতিহাস তৈরি করা সম্ভব নয়। তাই তথ্যপ্রযুক্তির যুগে মৌখিক ইতিহাস সংরক্ষণ ইতিহাসচর্চাকে আরও সহজলভ্য করবে।
কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ও গবেষণা প্রকল্পের পরিচালক কামরুন নেছা খন্দকার।
এতে বক্তব্য দেন উপউপাচার্য (শিক্ষা) মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান, উপউপাচার্য (প্রশাসন) সোহেল আহমেদ, কোষাধ্যক্ষ আবদুর রব, সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন শামছুল আলম, প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সৈয়দ মোহাম্মদ কামরুল আহসান, প্রভোস্ট কমিটির সভাপতি আবেদা সুলতানা, ওয়াজেদ মিয়া বিজ্ঞান গবেষণা কেন্দ্রের পরিচালক মনোয়ার হোসেন এবং প্রক্টর এ কে এম রাশিদুল আলম।
এ ছাড়া বক্তব্য দেন নেত্রকোণা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষক মুহাম্মদ সাজেদুল ইসলাম ও ডুয়েটের শিক্ষক মামুনুর রশিদ।


