৯ হাজার ৩১০ পিস ইয়াবাসহ নোয়াখালীর মাদক কারবারি ওমর ফারুক ওরফে বুলেট ফারুককে (৪৪) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় তার কাছ থেকে মাদক বিক্রয়লব্ধ নগদ ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা, একটি রয়েল এনফিল্ড মোটরসাইকেল এবং দুটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।
বুধবার রাতে বেগমগঞ্জ উপজেলার জমিদারহাট পূর্ব বাজার এলাকার ফেনী-চৌমুহনী মহাসড়কে ডিএনসি-র্যাবের যৌথ অভিযানে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার বুলেট ফারুকের উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের লতিফপুর গ্রামের ।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে জমিদারহাট পূর্ব বাজারের ফেনী-চৌমুহনী মহাসড়কের উপর থেকে বুলেট ফারুককে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার কোমর থেকে ৫ হাজার ৩১০ পিস এবং মোটরসাইকেলের টুলবক্স থেকে আরও ৪ হাজার পিসসহ মোট ৯ হাজার ৩১০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা, একটি রয়েল এনফিল্ড মোটরসাইকেল ও দুটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।
ডিএনসি জানায়, বুলেট ফারুক নোয়াখালীর সেনবাগ, বেগমগঞ্জ ও ফেনীর দাগনভূঞা এলাকার মাদক কারবারি । তার বিরুদ্ধে নোয়াখালীর সেনবাগ ও বেগমগঞ্জ, চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড ও সিএমপির ডবলমুরিং এবং ফেনীর দাগনভূঞা থানায় অস্ত্র মামলাসহ মোট ১১টি মাদক মামলা বিচারাধীন রয়েছে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, নিজস্ব মোটরসাইকেল ব্যবহার করে প্রতি সপ্তাহে দুই থেকে তিনবার চট্টগ্রাম থেকে ইয়াবা এনে নোয়াখালীতে পৌঁছে দিত। বেগমগঞ্জ এলাকার লতিফপুর, হাজীপুর, রসুলপুর, জমিদারহাট, সেনবাগ উপজেলার সেবারহাট, ছবির মুন্সিরহাট, কাবিলপুর এবং দাগনভূঞা উপজেলার খুচরা মাদক ব্যবসায়ীদের ইয়াবা সরবরাহ করতো সে। নোয়াখালীতে তার অধীনে তিনটি খুচরা সিন্ডিকেট আছে বলে জানা যায়।
এর আগে, ২০২৫ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর ডিএনসির নোয়াখালী জেলা কার্যালয় ফেনীর দাগনভূঞা এলাকা থেকে তাকে ১১ হাজার পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করে। পরে তিনি ওই বছরের ডিসেম্বর মাসে জামিনে মুক্ত হয়ে পুনরায় মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে পড়েন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, নোয়াখালী জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক সুব্রত সরকার শুভ বলেন, এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে।


