জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেত্রী জান্নাতারা রুমী পারিবারিক নানা হতাশা থেকে আত্মহত্যা করতে পারেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় টাইমস অব বাংলাদেশকে একথা জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ধানমন্ডি জোনের অতিরিক্ত উপকমিশনার জিসানুল হক।
তিনি বলেন, ‘জান্নাতারা রুমী পারিবারিক কলহ কিংবা পারিবারিক কিছু বিষয় নিয়ে কিছুদিন ধরেই হতাশাগ্রস্ত ছিলেন বলে জানতে পেরেছি। সেই হতাশা থেকে আত্মহত্যার মতো ঘটনা ঘটেছে বলে আমরা প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি।’
এর আগে সকালে ঢাকার জিগাতলার পুরাতন কাঁচাবাজার রোড এলাকার একটি বেসরকারি ছাত্রী হোস্টেল থেকে জান্নাতারা রুমীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
পরে তার মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয় হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে বলেও জানিয়েছেন জিসানুল হক।
জান্নাতারা রুমি এনসিপির ধানমন্ডি থানা সমন্বয় কমিটির যুগ্ম সমন্বয়কারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। চলতি বছরের ৬ নভেম্বর ওই কমিটি ঘোষণা করা হয়।
মরদেহ উদ্ধারের পর হাজারীবাগ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শাহাদাত হোসেন জানিয়েছিলেন, পারিবারিক কারণে রুমী মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন বলে আশপাশের লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে। তার ঘরে ডিপ্রেশনের ওষুধ পাওয়া গেছেও বলেও জানান তিনি।
৯৯৯ নম্বরে ফোনকল পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে রুমিকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান জানিয়ে শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘হোস্টেলের ঘরগুলো হার্ডবোর্ড দিয়ে পার্টিশন করা, ফলে পাশের রুম থেকে কিছুটা দেখা যায়।’
মৃত রুমীর চাচাতো ভাই মেহেদী হাসান জানান, জিগাতলার ওই বাসায় মেস করে থাকতেন রুমী। তিনি দুবার বিয়ে করেছিলেন, দুটিতেই বিচ্ছেদ হয়েছে। দুই সংসারে দুটি সন্তানও রয়েছে। তারা তাদের বাবার কাছে থাকে।
জান্নাতারা রুমির বাড়ি নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলায়, বাবার নাম জাকির হোসেন।


