যে অভিষেক শর্মাকে নিয়ে গেল দুই-তিন দিন ধরে এত আলোচনা, সবার আগে ভারতকে হতাশ করলেন তিনিই। রোববার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিপক্ষে বহুল প্রতীক্ষিত ম্যাচে রানের খাতাই খুলতে পারলেন না এই বাঁহাতি ওপেনার। ইনিংসের প্রথম ওভারেই ফিরেছেন তিনি।
যদিও কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে এরপর ইশান কিশানের ৭৭ রানের ঝড়ো ইনিংসে সেই চাপ সামলে উঠেছে ভারত। ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৭৫ রান করেছেন সূর্যকুমার যাদবরা। বিশ্বকাপে ভারত পাকিস্তান ম্যাচে সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ এখন এটাই।
হ্যান্ডশেক বিতর্ক চলমান রইল এই ম্যাচেও। এশিয়া কাপের মতো বিশ্বকাপেও হ্যান্ডশেক করেননি দুই দলের অধিনায়ক। যদিও সেসব ছাপিয়ে আলোচনায় জায়গা করে নিল অসুস্থতা কাটিয়ে একাদশে ফেরা অভিষেকের শূন্য হাতে ফেরা। ইনিংসের প্রথম ওভারে সালমান আগার বলে মিড অনে শাহীনের হাতে ক্যাচ দিয়েছেন এই বাঁহাতি ওপেনার।
অবশ্য ইনিংসজুড়ে স্পিনারদেরই দাপট চলেছে। ২০ ওভারের মধ্যে ১৮ ওভারই করেছেন পাকিস্তানের ৬ স্পিনার মিলে। বিশ্বকাপে প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু, কারণ এর আগে কোনো দলই এক ইনিংসে ৬ স্পিনার ব্যবহার করেনি। যদিও স্পিনারদের শোতে পাল্টা আক্রমণে আলো কেড়েছেন ইশান। তিন ছক্কা আর ১০ চারে ৪০ বলে খেলেছেন ৭৭ রানের ইনিংস। সাইম আইয়ুবের শর্টার লেংথের বলে পুল করতে গিয়ে বোল্ড হয়েছেন। অবশ্য এরপর তার হতাশা ছিল দেখার মতো।
ইশানের বিদায়ের পর অবশ্য ভারতকে চেপে ধরে পাকিস্তানি বোলাররা। ইনিংসের ১৫তম ওভারে সেই সাইমই খুলে বসেন ঘূর্ণি জাদুর ঝাঁপি। টানা দুই বলে ফেরান তিলক ভার্মা ও হার্দিক পান্ডিয়াকে। এখানেই রানের লাগাম টেনে ধরে পাকিস্তান। ৪ ওভার বল করে ২৫ রানে ৩ উইকেট নেন এই অফস্পিনার। তার সাথে উসমান তারিকের চেপে ধরা বোলিং স্পেলের অবদানও আছে বেশ। শুরুতে উইকেট না পেলেও কোটার চার ওভারে শেষ বলে আউট করেছেন ৩২ রানের ইনিংস খেলা ভারত অধিনায়ক সূর্যকুমারকে।
মিডল ওভারে পিছিয়ে পড়লেও ডেথ ওভারে শিভাম দুবের ১৭ বলে ২৭* ও রিংকু সিংয়ের ৪ বলে ১১ রানের ইনিংসে ১৭০ ছাড়ানো সংগ্রহ পায় ভারত।


