স্টারলিংকের পণ্য ও সেবা প্রচার, পরিচালনা ও বাস্তবায়নের জন্য ‘রিসেলার পার্টনার’ খুঁজছে বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিএল)। এজন্য যোগ্য প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে আগ্রহপত্র আহ্বান করা হয়েছে।
মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্কের স্যাটেলাইটভিত্তিক ইন্টারনেট পরিষেবা স্টারলিংক বাংলাদেশে যাত্রা শুরু করেছে গত ২০ জুলাই। এই ইন্টারনেট সেবার জন্য স্টারলিংকের অফিসিয়াল রিসেলার বিএসসিএল।
ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন প্রতিষ্ঠান বিএসসিএল জানিয়েছে, নির্বাচিত পার্টনাররা নিজস্ব সক্ষমতায় সেবা প্রচার, ইনস্টলেশন ও পোস্ট-ইনস্টলেশন সহায়তা, রাজস্ব সংগ্রহ এবং চুক্তি অনুযায়ী অন্যান্য দায়িত্ব পালন করবেন।
স্টারলিংকের রিসেলার পার্টনার হতে আবেদন করতে চাইলে প্রতিষ্ঠানটির বৈধ, প্রযুক্তিগত ও আর্থিক সক্ষমতা থাকতে হবে। সেইসঙ্গে পূরণ করতে হবে নিচের যেকোনো একটি শর্ত।
শর্তগুলো হলো, বিটিআরসির দেওয়া আইএসপি লাইসেন্স, বিটিভির দেওয়া কেবল টিভি অপারেটর লাইসেন্স অথবা প্রাসঙ্গিক লাইসেন্স। পাশাপাশি আবেদনকারীকে অভিজ্ঞতাসহ তথ্যপ্রযুক্তি বা ইলেকট্রনিক্স সরঞ্জাম প্রস্তুতকারক, সরবরাহকারী বা পরিবেশক হতে হবে।
ক্রয়ের বিপরীতে সমন্বয়যোগ্য ন্যূনতম ৩ কোটি টাকা প্রি-পেমেন্ট করার সক্ষমতাও থাকতে হবে বলে জানিয়েছে বিএসসিএল।
এজন্য আবেদন জমা দেওয়ার শেষ সময় আগামী ২৭ আগস্ট। ওইদিন বিকাল ৫টার মধ্যে বিএসসিএলের ঢাকা অফিসে আবেদনপত্র জমা দেওয়া যাবে।
আগ্রহী প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য ১৯ আগস্ট পর্যন্ত নিবন্ধন প্রক্রিয়া শেষ করে একটি অনলাইন ব্রিফিংয়ে অংশ নেওয়ার সুযোগ থাকবে। ২০ আগস্ট অনলাইনে প্রি-ইওআই সভা অনুষ্ঠিত হবে।
আবেদনের সঙ্গে কোম্পানির লেটারহেডে স্বাক্ষরিত আবেদনপত্র, সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থার লাইসেন্সের অনুলিপি, বৈধ ট্রেড লাইসেন্স, সর্বশেষ ট্যাক্স রিটার্ন ও টিআইএন, ভ্যাট নিবন্ধন সনদ, গত দুই বছরের অডিট রিপোর্ট, সংশ্লিষ্ট খাতে কমপক্ষে দুই বছরের কার্যক্রমের প্রমাণ, ক্লায়েন্ট তালিকা, বিক্রয় ও প্রযুক্তি সহায়তা দলের বিবরণ, স্বীকৃত ব্যাংক থেকে ৩ কোটি টাকার প্রি-পেমেন্ট সক্ষমতার প্রমাণ এবং প্রতারণা, কালো তালিকাভুক্তি বা নিয়ন্ত্রক সংস্থার নিয়ম ভঙ্গের কোনো রেকর্ড নেই—এমন একটি ঘোষণা জমা দিতে হবে।


